গোপালপুর পৌর এলাকার চন্দবাড়ি গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা গত রবিবার গোপালপুর থানায় গিয়ে জান-মালের নিরাপত্তা চেয়েছেন। সংখ্যালঘুদের নেতা রংলাল চন্দ্র পাল লিখিত অভিযোগের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, হাটবৈরাণ গ্রামের কতিপয় সন্ত্রাসী সরকারি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের নিকট চাঁদা আদায় করে আসছে। চাঁদা না দেয়ায় ইতিপূর্বে তারা কয়েকদফা হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। গত শনিবার ১০ ঘন্টা সময় বেঁধে দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে বলে চাঁদা না দিলে বউ-ঝিদের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এ ব্যাপারে সংক্ষুব্ধ সুশীল চন্দ্র পাল জানান, মাটির পাত্রের চাহিদা না থাকায় এমনিতেই তাদের দুর্দিন চলছে— এরপর তাদের পক্ষে চাঁদা দেয়া সম্ভব নয়। সংখ্যালঘুদের সাথে থানায় আসা পৌর কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগ নেতা কিতাব আলী জানান, ওরা দলের নেতাদের কথা শোনে না। তাই সংখ্যালঘুদের সাথে থানায় এসেছি।
