রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের শিক্ষকবৃন্দ গতকাল মঙ্গলবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, সমপ্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার পর জামায়াত ইসলামী এবং ছাত্রশিবির দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও সহিংস পথ বেছে নিয়েছে। একাত্তর সালে যেমন জামায়াত-শিবির মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র বিরোধিতা করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে সর্বাত্মক সহযোগিতায় এদেশের বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবীসহ হিন্দু-মুসলমান, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে লিপ্ত হয়েছিল, ঠিক তেমনি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে অরাজক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের বাড়িঘরে আগুন, লুট, মন্দির ভাংচুর, জাতীয় পতাকায় আগুন, শহীদ মিনার ভেঙ্গে দেয়ার মতো জঘন্য ও ঘৃণ্য কাজ করে চলেছে। আমরা এই ধরনের ঘৃণ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে তদন্তসাপেক্ষে শাস্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। জামায়াত-শিবির যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তা রুখে দাঁড়ানোর জন্য সকল প্রকার গুজব এবং অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। সচেতন জনসাধারণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন:প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা, সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ, মোঃ আখতার ফারুক, মোঃ ছাদেকুল আরেফিন মাতিন, মোঃ জালাল উদ্দিন, এম জুলফিকার আলী, মুন্সী মুনজুরুল হক, মোঃ সুলতান-উল-ইসলাম, এসএম আবু বকর, এসএম এক্সাম উল্যাহ, একেএম আব্দুল মজিদ, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন খান, এম নজরুল ইসলাম, মোঃ শামসুদ্দীন ইলিয়াস, আবু বকর মোঃ ইসমাইল, আবুল হাসান চৌধুরী, মোঃ মুশফিক আহমেদ, দুলাল চন্দ্র রায়, মোঃ সাইফুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম।
