কাপাসিয়া সংবাদদাতা
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় চলতি অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচি ও টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পের জন্য প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দকৃত চালের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে প্রকল্পের কাজ প্রাক্বলন অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে গাজীপুর-৪ কাপাসিয়া আসনের সংসদ সদস্যের টিআর হিসাবে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ১৪৮টি প্রকল্পের অধীনে ৩শ’ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। কাবিখার প্রথম পর্যায়ে গ্রামীণ রাস্তা, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৩৭টি প্রকল্পে ৩শ’ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়। এছাড়া গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) সাধারণ হিসাবে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য ১১৫টি প্রকল্পের বিপরীতে ১৭১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়। প্রকল্পগুলোর অধিকাংশ চাল উত্তোলন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কমিটির লোকজন অভিযোগ করেছেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্য গুদাম একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। কোন প্রকল্পের বিপরীতে চালের ডিও ইস্যু হবার পর তারা সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটির লোকজনের কাছ থেকে ডিও ক্রয় করে নেন। সরকারি মূল্য প্রতি টনে ৩৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করে প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকল্পের জন্য প্রক্বলন তৈরি করা হয়। কিন্তু উক্ত সিন্ডিকেট প্রতি টন চাল ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা দর হিসাবে ক্রয় করে থাকে। এ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটির সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এব্যাপারে উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আঃ মালেকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য না করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দেলোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগে করলে তিনি বলেন, উপজেলায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটির ডিও গ্রাহকের নিকটই নিয়ম মেনে চাল বুঝিয়ে দেয়া হয়ে থাকে। এখানে কোন সিন্ডিকেট নেই।
