কাউখালী-ভিটাবাড়িয়া-ভাণ্ডারিয়া সড়কে ১২টি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৩, ২১:০১
পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে কাউখালী-ভিটাবাড়িয়া-ভাণ্ডারিয়া সড়কের ১৫টি ব্রিজের মধ্যে ১২টিই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে ২টি ব্রিজের টেন্ডার হলেও কাজ চলছে ঢিলেঢালা গতিতে। ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ খানাখন্দে ভরা ওই সড়কের ব্রিজগুলো দীর্ঘদিন ধরে নাজুক অবস্থায় থাকলেও সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। জেলার স্বরূপকাঠি ও কাউখালী উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান সড়ক স্বরূপকাঠি-কাউখালী-নৈকাঠি-পিরোজপুর সড়ক। দূরত্ব বেশি হওয়ার কারণে দুই উপজেলার মানুষ ভাণ্ডারিয়া ও পিরোজপুর যাতায়াতের জন্য কাউখালী-শিয়ালকাঠি-ভিটাবাড়িয়া সড়কে বেশি চলাচল করে। ১৯৯৭ সালে তত্কালীন যোগাযোগমন্ত্রী ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি উদ্বোধন করেন। ওই সড়কে ১৯৯৮ সাল থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। বেইলি ব্রিজসহ সড়কটি কার্পেটিং করানো হয়। কিন্তু চারদলীয় জোট সরকার আমলে সড়ক সংস্কার না করায় সড়কটি ভেঙে গেছে। এদিকে পুরোনো ব্রিজগুলো পুনঃনির্মাণের কোনো ব্যবস্থা হয়নি বিধায় সব ব্রিজের স্লাব ও রেলিং ভেঙে পড়েছে। গত বছর কাউখালী থেকে পারসাতুরিয়া পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়কের কাজ করানো হলেও মাঝখানে ১ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার না করায় ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। প্রকাশ, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলোর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ওই সড়কের ১২টি ব্রিজের মধ্যে চিরাপড়া আদম আলী, বিশ্বাসবাড়ির সামনে, শিয়ালকাঠি টাওয়ারের কাছে ফরাজীবাড়ি, সামছু মিয়ার বাড়ির সম্মুখে ব্রিজ হলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া বেলতলা, তালুকদারহাট, মিলন সংঘ ব্রিজ, সেনেরহাট সংলগ্ন ব্রিজ, ভিটাবাড়িয়া মোড়ের ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ওইসব ব্রিজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত মাঝারি ও হালকা ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। নছিমন ও করিমন নামের যানবাহনগুলো ক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে ওই সড়কে চলাচল করে। এ অবস্থায় যে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।