কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিতে ২৯টি ডাক্তারের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র পাঁচজন।
কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটিতে মোট ২৯টি ডাক্তারের পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র পাঁচজন। হাসপাতালটিতে মেডিসিন কনসালটেন্ট, শিশু কনসালটেন্ট, সার্জারি, গাইনি, এনেসথেসিয়া, অর্থপেডিক্স, কার্ডিওলজি, চক্ষু, ইএনটি, চর্ম ও যৌন কনসালটেন্ট থাকার কথা থাকলেও পদগুলো শূন্য রয়েছে।
সিনিয়র স্টাফ নার্স ১৯ জন থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছেন ১৪ জন। ১৪ জন সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে চারজনকে সৈয়দপুর ও নীলফামারী সদর হাসপাতালে ডেপুটেশনে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও হাসপাতালটিতে তৃতীয় শ্রেণির ৪৩টি কর্মচারীর পদ থাকলেও কর্মরত আছেন ৩৫ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ৩০টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র সাতজন।
কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মেজবাহুল হাসান চৌধুরী বলেন, কিশোরগঞ্জ হাসপাতালটিতে ডাক্তার, নার্স, আয়া, পরিচ্ছন্ন কর্মী ছাড়াও আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে একমাত্র এক্সরে মেশিনটি গত তিন বছর থেকে নষ্ট। আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন নেই। ডেন্টাল সার্জন আছে কিন্তু ডেন্টাল ইউনিট নেই এবং ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার নেই। হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবগত করেছি।
নীলফামারী ৪ আসনের সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেল বলেন, আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কিশোরগঞ্জ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে জানতে পারি, সে অনুযায়ী গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সংসদে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সের জোরালো দাবি জানালে গত ৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি অ্যাম্বুলেন্স দেয়। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালের ডাক্তারসহ বাকি সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে।
