‘এ’ দলের ব্যস্ততা শুরু হচ্ছে

আপডেট : ০৫ মে ২০১৯, ২১:২৫

বাংলাদেশ জাতীয় দল চলে গেছে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপের মিশনে। ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ শেষ হওয়ার পর থেকে বিশ্রামে আছেন দেশের বাকি ক্রিকেটাররা। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে পারফরম করা ক্রিকেটাররা নিজেদেরকে মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। চলমান ফাঁকা সময়টাতে অনুশীলনের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন এসব পারফরমাররা।

শিগগিরই আবার সরব হতে যাচ্ছে ‘এ’ দলের কার্যক্রম। চলতি বছরই বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দুটি সিরিজ রয়েছে। আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসবে আফগানিস্তান ‘এ’ দল। হোমে এই সিরিজের পর শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। গতকাল এই তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

আর এই দুটি সিরিজের জন্য আগামী ১১ মে শুরু হবে ‘এ’ দলের ক্যাম্প। ক্যাম্প চলবে ২০-২৫ দিন। ওই ক্যাম্প থেকেই চূড়ান্ত করা হবে ‘এ’ দল। এদিকে আগামী ১৮ মে শুরু হওয়ার কথা এইচপি ক্যাম্প। দল দুটিও হবে আলাদা। তবে প্রয়োজনে এইচপি থেকে ক্রিকেটার নিতে পারবে ‘এ’ দলের ম্যানেজমেন্ট। পাশাপাশি দুটি ক্যাম্প চলবে মিরপুর স্টেডিয়ামে।

গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ‘এ’ দলের ব্যস্ততা নিয়ে আকরাম খান বলেছেন, ‘এ দলের দুটি প্রোগ্রাম আছে। আফগানিস্তান আসছে এবং শ্রীলঙ্কায় আমরা যাচ্ছি। আমরা দুটি চার দিনের ম্যাচ এবং তিনটি ওয়ানডে খেলব আফগানিস্তানের সাথে। ওরা অগাস্টের দিকে আসবে। সেটা শেষ হওয়ার পর শ্রীলঙ্কায় ‘এ’ দলের সিরিজ আছে। সেখানে আমরা যাবো।’

মিরপুর স্টেডিয়ামে ‘এ’ দলের ক্যাম্প শুরু হবে আগামী ১১ মে। গতকাল আকরাম খান বলেছেন, ‘ক্যাম্প একটি হবে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকে যে ভালো পারফরম্যান্স করেছে তাদেরকে নিয়ে আমরা একটি ক্যাম্প করব। সেই ক্যাম্পটি ১১ তারিখ থেকে শুরু করব এবং সেটি চলবে ২০-২৫ দিন এবং আমরা সেখান থেকে দেখব।’

‘এ’ দলের দুটি সিরিজের সময়টাতে চলবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। যারা ‘এ’ দলে ডাক পাবেন, এনসিএলে তারা খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারবেন না। বিসিবির এই পরিচালক গতকাল বলেছেন, ‘এনসিএলের সাথে তখন হয়তো একটি বা দুটি ম্যাচ ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা খেলতে পারবে। এনসিএল সাধারণত আগস্টের শেষের দিকে হয়। তখন হয়তো একটি বা দুটি রাউন্ড খেলতে পারবে।’

ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরমার, জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটারদের নিয়েই গঠন করা হবে ‘এ’ দল। এবং ভবিষ্যতে যাদের জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা আছে এমন ক্রিকেটারও সুযোগ পাবেন। আকরাম খান বলেছেন, ‘সাধারণত ‘এ’ দল হয় যারা জাতীয় দলে ভালো পারফরম্যান্স করে না এবং যাদের জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা থাকে তাদেরকে নিয়ে দলটি করা হয়। যাদের মনে করেন রানের দরকার জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য এবং যাদের জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা থাকে তাদেরকে নিয়ে ‘এ’ দল করা হয়।’

উল্লেখ্য, গত বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ দুটি সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এবং পরে আয়ারল্যান্ডে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় সারির দলটি।