অধ্যক্ষের পরামর্শ

সাহস, মনোবল আর আত্মবিশ্বাস হারাবেনা

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৩, ১৮:৪০
সুপ্রিয় এইচ.এস.সি. পরীক্ষার্থীবৃন্দ, তোমাদের জন্য রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই তোমাদের এইচ.এস.সি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার পূর্বের এ সময়টুকু তোমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তোমরা রুটিন করে বিভিন্ন বিষয়ে ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। বিগত কয়েক বছরের প্রশ্ন দেখে এবং এ বছর অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কলেজের নির্বাচনি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর ভালোভাবে অনুশীলন করবে। যেসব বিষয় তুলনামূলকভাবে কঠিন মনে হয় এবং যেসব বিষয়ে তোমাদের দুর্বলতা আছে সেগুলো অধিক গুরুত্ব সহকারে অনুশীলন করবে। কোনোভাবেই সময়ের অপচয় করবে না, প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করবে। ভালো ফলাফলের জন্য পরীক্ষার খাতায় ভালো উপস্থাপনা জরুরি। ভালো উপস্থাপনা বলতে পরীক্ষার খাতার সার্বিক পরিচ্ছন্নতা এবং নির্ভুল, মানসম্পন্ন ও যথাযথ উত্তর লেখাকেই বোঝায়। প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর পুরো প্রশ্নপত্রটি মনোযোগ সহকারে অন্তত ১ বার পড়ে নিতে হবে। তারপর কোন কোন প্রশ্নের উত্তর লিখবে সেটি নির্বাচন করে লেখা শুরু করবে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ করবে। প্রতিটি উত্তর শেষ হলে সরল লেখার সমাপ্তিচিহ্ন দিতে হবে এবং যে প্রশ্নের উত্তর উচ্চমানসম্পন্ন এবং সবচেয়ে ভালো মনে আছে সেগুলোই আগে লিখতে হবে। হাতের লেখা অবশ্যই স্পষ্ট এবং সুন্দর হতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ি প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি, চার্ট, চিত্র, ডায়াগ্রাম ইত্যাদির ব্যবহার করতে হবে। এগুলো উত্তরের মান বহুলাংশে বৃদ্ধি করে। মনে রাখতে হবে পরীক্ষার খাতায় ভালো উপস্থাপনাই বেশি নম্বর পেতে সহায়তা করে। ছাত্রজীবনে এইচএসসি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই পরীক্ষার প্রাপ্ত গ্রেড-এর ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র নির্ধারিত হয়।