সুপ্রিয়, ২০১৩ সালের এইচ.এস.সি পরিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের রসায়ন ২য় পত্র সম্পর্কে কিছু পরামর্শ রইল।
রসায়ন ২য় পত্র বিষয়টি অজৈব রসায়ন ও জৈব রসায়ন এই দুইটি অংশ নিয়ে সৃষ্ট। এই প্রথম এইচ.এস.সি পরীক্ষায় রসায়ন বিষয়টি সৃজনশীল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। রচনামূলক (সৃজনশীল) অংশে ৬টি প্রশ্ন থেকে ৪টির উত্তর দিতে হবে। মোট নম্বর-৪০, প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের চারটি অংশ রয়েছে। জ্ঞানমূলক-১ নম্বর, অনুধাবন-২ নম্বর, প্রয়োগ-৩ নম্বর এবং উচ্চতর দক্ষতা-৪ নম্বর। নৈর্ব্যক্তিক ৩৫টি প্রশ্ন থাকবে এবং মোট নম্বর-৩৫, ব্যবহারিক অংশের মোট নম্বর ২৫, রসায়ন ২য় পত্রে মোট ১২টি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম তিনটি অধ্যায় অজৈব রসায়ন এবং বাকি ৯টি অধ্যায় জৈব রসায়ন অংশের, সৃজনশীল প্রশ্নগুলো কয়েকটি অধ্যায় নিয়ে একটি প্রশ্ন হতে পারে। অজৈব রসায়নের অংশ থেকে দুইটি প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া জৈব রসায়নের সূচনা ও হাইড্রোকার্বন মিলে একটি প্রশ্ন হতে পারে। বিক্রিয়ার ক্রিয়াকৌশল ভালোভাবে আয়ত্তে থাকলে সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্দীপক ভালোভাবে বুঝা যাবে। প্রয়োগমূলক প্রশ্নগুলো পরীক্ষাগারে ও শিল্পক্ষেত্রে বিভিন্ন যৌগের প্রস্তুতি, ব্যবহার এবং পরীক্ষাগারে বিভিন্ন যৌগের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ সম্পর্কে থাকতে পারে, বায়ো অনুসমূহের রসায়ন থেকে একটি স্বতন্ত্র প্রশ্ন হতে পারে।
জটিল যৌগের নাম, জটিল যৌগে কেন্দ্রীয় পরমাণুর জারণ সংখ্যা নির্ণয়, IUPAC পদ্ধতি জৈব যৌগের নামকরণ, কার্যকরীমূলক, সমানুতা, আয়ন শনাক্তকরণ, বিভিন্ন বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিকারক, জৈবে যৌগে বিভিন্ন মৌলের পরিমাণ ও আণবিক সংকেত নির্ণয় ইত্যাদি বিষয়ের ওপর নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন হতে পারে।
