মাইজপাড়া খালের কাঠের সাঁকো পরিবর্তন হয়নি ২০ বছর পরও!

আপডেট : ০৫ মে ২০১৯, ২১:৪৫

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওর মাইজপাড়া খালের (নাসী খাল) কাঠের সাঁকোটি পরিবর্তন হয়নি দীর্ঘ ২০ বছরেও। সাঁকোটি দিয়ে ঝুঁকিতে চলাচল করছে চার গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদগাঁও ইউনিয়নের ঘনবসতি পূর্ণ গ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্য মাইজপাড়ার অর্ধলাখ জনবসতি। এদের প্রায় হাজার দশেক মহাসড়কের পাশের মেহেরঘোনাস্থ কবরস্থান ও ক্ষেতের মাঠের সাথে যুক্ত। মেহেরঘোনা এলাকায় এদের আসতে গেলে মাইজপাড়া নাসী (খাল) পার হয়েই আসতে হয়। দিনে দিনে যাতায়াত বাড়লেও ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোটি পরিবর্তন হচ্ছে না।

স্থানীয় অধিবাসী আবু হেনা সাগর জানান, প্রতি পাঁচ বছর পর নির্বাচন এলে প্রার্থীরা সাঁকোর স্থলে পাকা ব্রিজ করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আদায় করেন প্রার্থীরা। কিন্তু জয় পেয়ে গেলে পাঁচ বছরে আর কেউ খবর রাখে না।

উত্তর মাইজপাড়ার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, জেলা পরিষদের সদস্য, সরকার দলীয় এমপিসহ নানা সংস্থা চাইলেই অল্পতে ব্রিজটি করে দিতে পারে। কিন্তু সদিচ্ছার অভাবে এলাকাবাসীকে ভোগতে হচ্ছে।

ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্থানীয় সদস্য বজলুর রশীদ বলেন, দুই বছর আগে নিজের টাকা ব্যয়ে কাঠের সাঁকোটি তৈরি করা হয়েছিল। যা এখন নড়বড়ে হয়ে আছে। আমি পরিষদেও ব্রিজ চেয়ে আবেদন করেছি। ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম জানান, গুরুত্ব বিবেচনায় ব্রিজটি করে দিতে উপজেলায় প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ মিললে বাস্তবায়ন করা হবে।

কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান-২ ও ঈদগাঁও এলাকার সদস্য সোহেল জাহান চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদের আগামী মিটিংয়ে এ ব্যাপারে প্রস্তাবনা তোলা হবে।