কাউন্সিল অনুষ্ঠানের আটদিন পর গণফোরামের ১১১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এক বছর মেয়াদি এই কমিটিতে আবারো সভাপতি হয়েছেন ড. কামাল হোসেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তফা মোহসীন মন্টুর স্থলে এসেছেন ড. রেজা কিবরিয়া। গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই কমিটি ঘোষণা করেন দলের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ নভেম্বর গণফোরামে যোগ দেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী মরহুম শাহ এ এম এস কিবরিয়ার পুত্র রেজা কিবরিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে মন্টু উপস্থিত ছিলেন না। গত ২৬ মে অনুষ্ঠিত দলের কাউন্সিলেও যাননি তিনি। গতকাল ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পরিষদেও ঠাঁই পাননি মন্টু। তাকে কেন্দ্রীয় কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়া মোকাব্বির খানকে পুনরায় সভাপতি পরিষদের সদস্য করা হয়েছে। এছাড়া আগের কমিটিতে নির্বাহী সভাপতি ছিলেন সুব্রত চৌধুরী, এবার একই পদে তিনি ছাড়াও অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদকেও রাখা হয়েছে।
সভাপতি পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন— অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান, অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, আমসা আমিন, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট মহসিন ঘোষ, অ্যাডভোকেট শফিক উল্লাহ, মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জানে আলম।
১১১ সদস্যের নতুন কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদ খালি রয়েছে। এবিষয়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, পরবর্তী সময়ে এসব সম্পাদকীয় পদ পূরণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠন করা হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু আজকে জনগণের সেই অধিকার নেই। তাদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, তারা সক্রিয় হলে গণতন্ত্র উদ্ধার করতে পারবে।
