সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশকে ম্যানেজ করে মদ, গাঁজা ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ এনে মঙ্গলবার উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নবাসীর পক্ষে ১৭ জন স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনামনি চাকমা বরাবর দাখিল করা হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের জীতু মিয়া, মোহন মিয়া, সেফুল মিয়া ও কবির মিয়া প্রমুখ দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত। তাদের বাড়িতে প্রকাশ্য দিবালোকে মদ, গাঁজা সেবন ও বিক্রি হচ্ছে। ফলে এলাকার সৃষ্ট পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদপত্রে তাদের এসব অপকর্ম ছবিসহ প্রকাশিত হয়। এলাকার প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে তারা এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে এলাকার কেউ মামলা করতে ভয় পায়। গত বছরের ২৫ নভেম্বর তাদের বসতবাড়িতে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে মদ,গাঁজা সেবন করার সময় স্থানীয় এক সংবাদকর্মী ছবি তুলতে চাইলে তারা ক্যামেরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অভিযুক্ত মোহন মিয়া একটি সিএনজি চুরি মামলার আসামি। থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জিতু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। প্রতি বছর আমাদের বাড়িতে ওরস মোবারক পালিত হয়ে আসছে। এতে একটি পক্ষ আমাদের সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনামনি চাকমা স্মারকলিপির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
