চট্টগ্রাম, কক্সবাজার সাতক্ষীরায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত

আপডেট : ০৫ মে ২০১৯, ২২:৫২

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী বিজিবির সঙ্গে, একজন ডাকাত র্যাবের সঙ্গে এবং পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী অন্যজন প্রতিপক্ষের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছে। ইত্তেফাকের সংবাদদাতা ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তরক্ষী বিজিবি জওয়ানদের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি পৌরসভাস্থ পুরান পল্লান পাড়ার আব্দুর রশিদের পুত্র মো. আব্দুল্লাহ (২৪) বলে জানা গেছে। সেখান থেকে শুটারগান, তাজা কার্তুজ, ইয়াবা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, রবিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে খুরেরমুখ অস্থায়ী চেকপোস্টে দায়িত্বরত বিজিবি জওয়ানরা সদর ইউনিয়নের খোনকার পাড়া সংলগ্ন দুই কিঃ মিঃ উত্তরে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ চেকপোস্টে তল্লাশিকালে দক্ষিণ দিক থেকে আসা তিনজন মোটর আরোহীকে থামার সংকেত দেয়। চেকপোস্টের কাছে আসামাত্র মোটর আরোহীরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবির দুই জওয়ান আহত হয়।

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: বাঁশখালীতে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সুলতান বাহাদুর (৪৭) নামের এক দুর্ধর্ষ ডাকাত নিহত হয়েছে। তিনি ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী গ্রামের শাহ আলমের পুত্র। তার বিরুদ্ধে বাঁশখালী, চকরিয়া, কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন থানায় খুন, ডাকাতি, অস্ত্রআইন, চাঁদাবাজি, জমিদখলসহ বিভিন্ন অপরাধে ১১টি মামলা রয়েছে।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক মধ্যবয়সী ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে কালিগঞ্জ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নোভা সরদার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জোড়াখুনসহ ১৬টি মামলা রয়েছে। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, রবিবার ভোরে তিনি খবর পান যে সুলতানের মোড়ে একটি গুলিবিদ্ধ  লাশ পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসী তাকে জানায় ওই ব্যক্তির নাম নোভা সরদার (৫৫)।