আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গোপালগঞ্জ সদর আসনের এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, অচিরেই জামায়াতের রাজনীতি বন্ধ করা হবে। ২০০৯ সালের সন্ত্রাস দমন আইন দিয়েই জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা যায়। কিন্তু আমরা সাংবিধানিকভাবেই জামায়াতের রাজনীতি বন্ধ করব। এ কারণে সংবিধান যাচাই-বাছাই করছি। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের জন্য নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। জাতীয় পতকা, শহীদ মিনারে আগুন দিচ্ছে। একটি সভ্য দেশে এটি চলতে পারে না। কঠোর হস্তে এসব কর্মকাণ্ড দমন করা হবে। এ দেশে স্বাধীনতা বিরোধী ও মানবতা বিরোধীরা রাজনীতি করতে পারবে না। তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হবেই। মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. খলিলুর রহমান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক সৈয়দ মিরাজুল ইসলাম, মোজাম্মেল হোসেন মুন্না প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
শেখ সেলিম আরো বলেন, সাংবাদিকরা হচ্ছেন জাতির বিবেক। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আপনাদের লেখনির মাধ্যমে জাতিকে জাগিয়ে তুলে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।
১৪ দলের মতবিনিময়
খুলনা অফিস জানায়, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ৭১ সালের মত দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষও হত্যা করছে। তারা গাড়ি পোড়াচ্ছে, ব্যক্তিগত ও সরকারি সম্পদ ধ্বংস করছে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য বিএনপি প্রত্যক্ষভাবে জামায়াত-শিবিরকে মদদ দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুর, মন্দিরে হামলার মত ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। হরতাল দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের কোনভাবেই বাঁচানো যাবে না। গতকাল বুধবার খুলনার সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম এ কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি-জামায়াত হত্যা ও ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। যে কারণে তারা একের পর এক মানুষ হত্যা ও সম্পদ বিনষ্ট করছে। বিএনপি-জামায়াতের এ নৈরাজ্য রুখে দিতে ১৪ দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল মানুষকে নিয়ে তিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা শাখার সম্পাদক কমরেড হাফিজুর রহমান ভুঁইয়াসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।
