ইসলামী ব ই প রি চি তি

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৩, ১৮:৪৪
নাম-বিশ্বসেরা মুসলিম বিজ্ঞানী লেখক: মুহাম্মদ নূরুল আমীন প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৩ প্রকাশনায়: ব্যাংকস পাবলিকেশন্স ২৩০ নিউ এলিফ্যান্ট রোড ১২০৫ পরিবেশনায়:আহসান পাবলিকেশন্স। প্রচ্ছদ: নাছির উদ্দিন মূল্য:একশত টাকা মাত্র ইসলামের সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনো সংঘর্ষ নেই। এক শ্রেণীর মানুষ ইসলামের সঙ্গে বিজ্ঞানের পার্থক্য অন্বেষণ করে হয়রান, প্রেশান হয়ে অবশেষে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা হলেন জ্ঞানের আধার আর তিনি- অমা উতিতুম মিনাল ইলমি ইল্লা কালিলা অর্থাত্ মানুষকে সামান্য জ্ঞান দান করেছেন। বিজ্ঞানের যত আবিষ্কার উদ্ভাবন তার সব উত্সদাতাই হলেন স্বয়ং রাব্বুল আলামীন। আর তার নাজিলকৃত গ্রন্থ আল কুরআন হলো বিজ্ঞানের উদ্ভাবনের সবচেয়ে সহায়ক গ্রন্থ। কারণ আল্লাহ বিজ্ঞানময় কেতাব আল কুরআন আমাদের দান করেছেন। আর তার নবী রসূলগণ ছিলেন বিজ্ঞানের বড় প্রতীক। কারণ কুরআনে বলা হয়েছে রব্বানা ওয়াবআছ ফিহিম রসূলাম মিনহুম ইয়াতলু অলাইহিমআয়াতিকা ওয়াহউ আল্লিমুহুমুল কিতাব ওয়াল হিকমাতা ওয়া ইউঝাক্কিহিম— ইব্রাহিম (আ.) দোয়া করেছিলেন হে আল্লাহ আমার বংশধরদের মধ্যে এমন একজন নবী পাঠান যিনি মানুষের কাছে আপনার আয়াত শোনার আর তাদেরকে পূত-পবিত্র করেন এবং তাদের জ্ঞান-বিজ্ঞান শিক্ষা দেন। এখানে বিজ্ঞান শিক্ষা দেয়ার কথাটি এসেছে। তাহলে যিনি বিজ্ঞানী তিনিইতো কারো বিজ্ঞান শিক্ষা দিতে সক্ষম হন। সেই আলোকে মহানবী (স.) কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী অবশ্যই বিজ্ঞানী ছিলেন। তাছাড়া তার সাহাবী আলীকে (রা.) রসূল (স.) বলেছেন—আনা মদিনাতুল ইলমু, অআলিউন বাবুহা অর্থাত্ আমি হলাম জ্ঞানের রাজ্য, আর আলী হলো সেই রাজ্যের দরজা। সেইসঙ্গে হযরত আবু বকর (রা.), ওমর (রা.) আর ওসমানও (রা.) জ্ঞান-বিজ্ঞানের নির্ঝরনী ছিলেন। তাদের আগে ও পরে মুসলিমদের মধ্যে অসংখ্য বিজ্ঞানীর আবির্ভাব হয়েছে যারা সমগ্র বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকবর্তিতা প্রজ্জ্বলিত করেছেন সমগ্র জাহানে। এই গ্রন্থটিতে সেইসব বিদগ্ধ বিজ্ঞানীদের অবদান ও কার্যক্রমের একটি সুনিপুণ সন্নিবেশ ঘটানো হয়েছে। বিশেষ করে যাকে বিজ্ঞানের যুবরাজ বলা হয় সেই ইবনে সীনা সম্পর্কে এমন তথ্যবহুল বিবরণ পেশ করা হয়েছে যা ইতিপূর্বে দৃষ্টিগোচর হয়নি। বিজ্ঞানী ও কবি ওমর খৈয়াম সম্পর্কে বহু উপাত্তসম্বলিত বক্তব্য পেশ করা হয়েছে। ফুসফুসে রক্ত সঞ্চালনের আবিষ্কারক ইবনে নাফিসের অবদান পেশ করা হয়েছে। তাছাড়া দার্শনিক বিজ্ঞানী আল ফারাবী, ফটোগ্রাফীর জনক হাসান ইবনুল হাইয়াস, বিজ্ঞান জগতে ইবনে যহর পরিবার, সমাজ বিজ্ঞানের জনক ইবনে খালদুন, বীজগণিতের জনক মুসা আল খারেজমী, গণিতবিদ আবু রায়হান আল বিরুনী, দার্শনিক ও বিজ্ঞানী আল কিন্দি, মনীষী ও বিজ্ঞানী ইবনে রুশদ, দার্শনিক ও যুক্তিবিদ মুহাম্মদ আল গাফালী, রসায়নবিদ জাবির ইবনে হাইয়ান, চিকিত্সাবিদ আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাকারিয়া আল রাজী, চিকিত্সাবিজ্ঞানী আবুল কাসেম খলীফ, আজ্জাহরবী, বাঙালি চিকিত্সাবিদ মুহাম্মদ আল মাহাদী বিন আলী আল হিন্দ সুনপুরী, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ইবনুল বায়তার, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ইবনে জুলহুল এর ওপর সনির্বন্ধ বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা গ্রন্থটির বহুল প্রচার প্রত্যাশা করছি। —হোসাইন আল খালদুন