প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের প্রতি বিশ্ব নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা প্রকাশ ও শোক জ্ঞাপন অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ এবং ঢাকাস্থ কূটনীতিক মিশনের প্রতিনিধিরা পৃথক পৃথক বিবৃতিতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জানান। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মন্ত্রীরাও রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্ল¬ুর রহমানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে বঙ্গভবনের দরবার হলে তারা এ শ্রদ্ধা জানান। এ সময় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব। একে একে শ্রদ্ধা জানান ভারতের নগরায়ন প্রযুক্তি মন্ত্রী ফারুক আবদুল্ল¬াহ, মালয়েশিয়ার সিনেটের স্পিকার আবু দাহের বিন দাতো, মালদ্বীপের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী শাহীম আলী সাঈদ, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুনফিকি মাদা গোস, তুরস্কের মন্ত্রী ফারুক সেলিম, শ্রীলংকার নগর উন্নয়ন মন্ত্রী এএইচএম ফাউজি এবং ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগোর হাইকমিশনার চান্দ া সিং প্রমুখ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বিদেশি প্রতিনিধিরা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্ল¬ুর রহমানের মরদেহ ভৈরব থেকে বঙ্গভবনে আনা হয়।
এছাড়া সুইস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট, ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী, অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল, জাপানের সম্রাট, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, সার্ক মহাসচিব, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট, ওআইসি, নেপালের প্রেসিডেন্ট পৃথক পৃথক শোক বার্তা পাঠিয়েছেন। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে খোলা শোক বই-এ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা স্বাক্ষর করেন ও সমবেদনা জানান। দেশগুলো হচ্ছে:জিম্বাবুই, নামিবিয়া, বেনিন, বতসোয়ানা, উগান্ডা, মিসর ও সুদান। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে শোক বই ও অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা স্বাক্ষর করেন ও সমবেদনা জানান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের শোক
ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ক্যাথরিনা এস্টন এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শোকবার্তায় তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও পছন্দনীয় নেতা ছিলেন। স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাহসী ভূমিকার জন্য তাকে স্মরণ করা হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
