পুরনো ঢাকায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে গোলাগুলিতে ইমন ওরফে ইমু ওরফে সুলতান ওরফে ইয়াছিন ওরফে জানু ওরফে জানে আলম ওরফে সুমন ওরফে শুটার ইমু (৩৫) নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে শুটার ইমু এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার মহিষার গ্রামে। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে গেন্ডারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মহানগর পুলিশের গণসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, ডিবি-পূর্ব বিভাগের নিকট তথ্য আসে যে, রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানাধীন ধূপখোলা মাঠে অজ্ঞাতনামা কতিপয় সন্ত্রাসী অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অবস্থান করছে। ডিবি-পূর্ব বিভাগের ওয়ারী জোনাল টিম সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য ধুপখোলা মাঠ চটপটি গেটের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। ডিবি পুলিশও আত্মরক্ষার্থে সন্ত্রাসীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ দ্রুত ঢাকা স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যান্য সন্ত্রাসী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনাস্থল হতে একটি ?বিদেশি রিভলবার ৫ রাউন্ড গুলি লোডেড অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইমুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
