সিরাজগঞ্জের অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৩
নতুন প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার মহান প্রয়াসে হাউস অব মান্নান চেরিটেবল ট্রাস্ট নানা মহতী কাজ করে চলেছে। সিরাজগঞ্জের শিয়ালকোল ইউনিয়নে “দ্যা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি অব ইসলামিক ফাইন্যান্স এ্যান্ড টেকনোলজি” নামে বিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সিরাজগঞ্জের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অতি স্বল্প ও বিনা খরচে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ হবে। প্রকাশ, এটি সর্ম্পূণরূপে সমাজসেবা এবং মানবতাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। মূল কাজই হলো কলেজ, হাসপাতাল এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষিত মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টি করা। তবে এই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বিশেষত্ব হলো এই যে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট সামাজিক দুর্নীতি রোধে শিক্ষার্থীর ডিগ্রী বাতিল করতে পারবে। অপরদিকে সততা ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলোকিত নাগরিকদের বিশেষ সম্মাননা ডিগ্রী প্রদান করতে পারবে। সমপ্রতি ওআইসির মহাসচিব ড. হামিদ আল গালিব সিরাজগঞ্জে এসে এ সংস্থাটির সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং উদ্বোধনকালে তৃণমূল পর্যায়ে আধুনিক শিক্ষা বিস্তারের কর্মকাণ্ডে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল নিমগাছি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় মানবতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে শত-শত দরিদ্র শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। এ ট্রাস্টের অর্থায়নে স্কুলটি পরিচালিত হচ্ছে। জেলা শহরের মাছুমপুরে ৮৪ হাজার স্কয়ার ফুট আয়তনের উপরে নির্মিত ৬ তলাবিশিষ্ট “সৈয়দা রিজিয়া মেমোরিয়াল হসপিটাল” মাহমুদ এ্যান্ড গালিব কলেজ অব হিউম্যান মেডিসিন এবং ড. রেশমা মান্নান ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং প্রোগ্রাম নামে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নার্সেস ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে যা ট্রাস্টের ভর্তুকিতে পরিচালিত হচ্ছে। এই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সিরাজগঞ্জের কৃতী সন্তান শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম.এ মান্নান। তিনি ৩৩ বছর পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করে অবশেষে নিজ জন্মভূমি সিরাজগঞ্জে নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। ২০০৪ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “হাউজ অব মান্নান চেরিটেবল ট্রাস্ট”, তার পরিবারের অর্থায়নে পরিচালিত এই ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় ১শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনি জেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছেন। এমনকি তিনি তার নিজ পৈতৃক ভিটেমাটি পর্যন্ত ট্রাস্টে দান করেছেন।