নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য সবচেয়ে কম

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ০০:৫৫

নারী ও পুরুষের মজুরি প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্য উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী নারী-পুরুষের মজুরির ব্যবধান ২১ দশমিক ২ শতাংশ হলেও বাংলাদেশে তা দুই দশমিক ২ শতাংশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ওয়েজ রিপোর্ট ২০১৮’ এ তথ্য উঠে এসেছে। অবশ্য বাংলাদেশে  মোট নারী শ্রমিকের ৫ শতাংশের (যারা মজুরির হিসাবভুক্ত) তথ্যের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যানটি তৈরি হয়েছে। এর বাইরে বিশাল নারী শ্রমিকের হিসাব এ পরিসংখ্যানে আসেনি। গতকাল সোমবার বিশ্বব্যাপী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে আইএলও। এতে বিশ্বের ১৩৬টি দেশের মজুরির গতিধারা এবং এক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক মজুরি ব্যবধানের চিত্র উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মজুরি বৃদ্ধির গতি পূর্বের বছরের চাইতে কম ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রায় ৭০টির মধ্যে মোট ৪টি দেশে শ্রম বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্যের চিত্র ইতিবাচক। এই দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ। এ তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, চীন ও রাশিয়া।

আইএলও’র মহাসচিব গাই রাইডার বলেন, সামাজিক অন্যায্যতার প্রমাণ হলো নারী-পুরুষের মজুরি পরিশোধের ব্যবধান। তবে আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যবধান কমে আসছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় সবগুলো দেশেই মজুরি পরিশোধে লিঙ্গ বৈষম্য রয়েছে। ঘণ্টা ভিত্তিকের চেয়ে এ বৈষম্য মাসিক মজুরির ক্ষেত্রে বেশি। এ প্রবণতা নারী-পুরুষের কর্মঘণ্টায় বৈষম্যের প্রতিফলন বলা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। ৭২টি দেশের গড় হিসাবে দেখা যায় ১৪ শতাংশ নারী কর্মী এবং ৭ শতাংশ পুরুষ কর্মী খণ্ডকালীন শ্রমে নিয়োজিত থাকেন।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নারী কর্মীদের ১০ শতাংশ খণ্ডকালীন কর্মঘণ্টায় শ্রম দেন। এর বিপরীতে পুরুষ কর্মীর ৪ শতাংশ খণ্ডকালীন শ্রমে নিয়োজিত থাকেন।