লাল সবুজের সংস্কৃতি

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০১৩, ১৮:৩৩
স্বাধীনতার রং শুধু পোশাকেই নয় ছুঁয়ে যায় অন্যান্য পরিধেও অনুষঙ্গে। ব্যান্ড থেকে ব্যান্ডানা পর্যন্ত ছুঁয়ে থাকে স্বাধীনতার চেতনা। এসব নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম দিবসভিত্তিক পোশাকের ব্যাপারটা মূলত আমাদের সংস্কৃতিতে যোগ করেছেন দেশের ফ্যাশন ডিজাইনাররা। অবশ্য বুদ্ধিজীবীরাও মনে করেন, দিবসভিত্তিক পোশাকের ধারাটা চালু থাকা জরুরি। এতে করে ফ্যাশনের সঙ্গে মানুষের সরাসরি সংযোগ ঘটার পাশাপাশি স্বাধীনতার লাল-সবুজ বসন অঙ্গে জড়ানো হবে। একটা সময় ছিল যখন মানুষ মাথায় গামছা বেঁধে কাজ করত। কিংবা মুক্তিযুদ্ধের অনেক সময়ই দেখা যায় মুক্তিযোদ্ধাদের কপালে পতাকা বেঁধে রাখার দৃশ্য। সময় বদলেছে, এখন জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি হয়েছে মাথার ব্যান্ডানা, হাতের ব্যান্ড, ব্রেসলেট, চুড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও মানচিত্রের ব্যবহারও হচ্ছে এসবে। স্বাধীনতা দিবস, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে জাতীয় জীবনেরই বড় প্রাপ্তির ইতিহাস। এমন একটি দিনে লাল-সবুজের পোশাক কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। পোশাকে স্বাধীনতাকে ফুটিয়ে তুলতে আমাদের জাতীয় জীবনে কিছু দিন আছে, যেগুলো খুবই অর্থবহ এবং সবাই চায় সেই দিনগুলো নানাভাবে উদযাপন করতে। আর এই উদযাপনের একটা বড় অংশজুড়ে থাকে পোশাক। স্বাধীনতা দিবসের অনুভূতি পোশাকের মধ্যে তুলে ধরতে আমাদের জাতীয় পতাকার রং লাল-সবুজের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে আনন্দের রং সৃষ্টি করা হয়েছে। এভাবেই স্বাধীনতার রঙে সেজেছে এ দেশের ফ্যাশন হাউসগুলো। দিবসটির তাত্পর্য অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপনে মনোযোগী বাঙালির সংখ্যা যেমন দিন দিন বাড়ছে, তেমনি ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ফ্যাশন হাউসগুলোও চেষ্টা করে যাচ্ছে পোশাকের মানোন্নয়নের জন্য। তাই এবারও রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আমাদের দেশের সবুজ প্রকৃতির রং আর স্বাধীনতার লাল সূর্যের রং। এই পোশাক যেমন আমাদের স্বাধীনতার চেতনা, তেমনি নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতা সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলে। অর্থাত্ নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার বার্তা বহন করে। ফ্যাশন হাউসগুলোতে ২৬শে মার্চের আয়োজন :ছেলে ও মেয়েদের টি-শার্ট, ফতুয়া, শাল, ব্যান্ডেনা, পাঞ্জাবি, শার্ট, মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি, টপস কোথায় নেই বিজয়ের প্রণোদনা। বেইলী রোড হয়ে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, তারপর বসুন্ধরা সিটি এরপর বনানী এগারো নম্বর রোড মাঝখানে ধানমন্ডি সোবাহানবাগ ঘুরে উত্তরা, মিরপুর সবখানে সব ফ্যাশন হাউসেই পাওয়া যাবে এসব। পোশাকগুলো পাওয়া যাবে ৫০০ থেকে ৪০০০ টাকার মধ্যে। আর নানা ধরনের ব্যান্ডানা ১৫ থেকে ৫০ এবং ব্রেসলেট ২০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। মডেল এ্যানি ছবি দীপঙ্কর দীপু