গত ৭-৩-২০১৩ তারিখে এ কলামে প্রকাশিত মিসেস সাহানা কবিরের লেখা ‘মেধার সঠিক মূল্যায়ন চাই’ শিরোনামের চিঠিটা আমার মতো অনেক ভুক্তভোগীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমার ছেলে ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের বনশ্রী শাখার একজন ছাত্র। ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষায় তাদের স্কুল দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। অথচ এই স্কুল থেকে মাত্র ৭/৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। তাই ঐ চিঠির লেখকের সঙ্গে আমিও বলতে চাই, পরীক্ষার রেজাল্টে এ+ এর সনদপত্রের সঙ্গে নম্বরপত্র দেয়া হোক। তাহলে মেধা অনুসারে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করা সহজ হবে। বিষয়টি হবে আরো স্বচ্ছ— যাতে কোনো অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। আশা করি, যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভেবে দেখবেন।
এমদাদুল ইসলাম,
বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা
