বায়োশক ইনফাইনাইট

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৩, ২১:২৮
২০০৭ সালে প্রথম বাজারে আসে ইর্যাশনাল গেমসের তৈরি ফার্স্ট পারসন শুটার গেম বায়োশক। কেবল গেমারদের কাছেই নয়, গেম সমালোচকদের কাছেও যথেষ্ট আদৃত হয়েছিল সেই গেমটি। এরপর কেটে গেছে ছয় বছর। অনেকদিন ধরেই বায়োশকের ভক্তরা অপেক্ষায় ছিলেন এর পরবর্তী পর্বের। অবশেষে তাদের সেই অপেক্ষা শেষ হয়েছে। মুক্তি পেয়েছে বায়োশক সিরিজের দ্বিতীয় গেম ‘বায়োশক ইনফাইনাইট’। আগের পর্বগুলোর সব চরিত্র আর গেমের কাহিনীর ধারাবাহিকতা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন এই গেমটি। নতুন এই পর্বের কাহিনী শুরু হয়েছে ১৯১২ সালের পটভূমিকায়। আমেরিকান একসেপশনালিজমের গড়ে ওঠার সময়েই আবর্তিত হয়েছে এই গেমের কাহিনী। এই গেমেও কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে রয়েছেন আগের গেমের মূল চরিত্র বুকার ডিউয়িট, যে কি না পিংকারটন ন্যাশনাল ডিটেকটিভ এজেন্সির একজন এজেন্ট। গেমের শুরুতেই বুকারকে পাঠানো হয় এলিজাবেথ নামের এক নারীকে খুঁজে বের করার জন্য। এলিজাবেথ প্রায় ১২ বছর ধরে বন্দী রয়েছে বাতাসের শহর কলম্বিয়াতে। বুকার এলিজাবেথকে উদ্ধার করতে সমর্থ হলেও তাদের দুইজনকে অনুসরণ করতে থাকে দুই দল ন্যাটিভিস্ট এবং এলিট ফাউন্ডারস। তাদের সাথে অবশ্য বিদ্রোহী দল ভক্স পোপুলিও যুক্ত হয়। ফলে সবকিছুর মধ্যে এক সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে বুকার। এদিকে এলিজাবেথের আবার রয়েছে বেশকিছু অলৌকিক ক্ষমতা। এই গেমে গেমারকে খেলতে হবে বুকারের চরিত্র নিয়ে। আর তাকে কাজ করতে হবে এলিজাবেথের সাথে। এলিজাবেথের চরিত্রটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঞ্চারণ করেছেন গেম নির্মাতারা। ফলে তার সাথে কাজ করতে গিয়ে যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে গেমারকে। বায়োশকের আগের পর্বের মতোই এই পর্বেও গেমারের হাতিয়ার হিসেবে থাকবে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। এর সাথে অবশ্য এলিজাবেথের ক্ষমতাকেও ব্যবহার করতে হবে বুদ্ধিমত্তার সাথে। এই গেমটি সাধারণ গেমারদের জন্য মুক্তির আগেই গেম সমালোচকদের কাছে পৌঁছে গেছে এবং তারাও এই গেমটির কাহিনী, গ্রাফিক্স আর শব্দ সংযোজনায় মুগ্ধ হয়েছেন। বিশেষ করে গেমটির প্রধান ডিজাইনার কেন লেভিন গেমটিকে যে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিককার পটভূমিকায় তৈরির পেছনে ঐতিহাসিক দিকগুলোতে গুরুত্ব দিয়েছেন, তাও প্রশংসা কুড়িয়েছে সমালোচকদের কাছে। সমালোচকদের ধারণা, বায়োশকের নতুন এই পর্বটি আগের পর্বের চাইতেও বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করবে গেমারদের কাছে।