নৈমিক দে নীসু
নৈমিক দে নীসু ঢাকা দক্ষিণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ গোলাপগঞ্জ, সিলেট থেকে জে.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ ৫ সহ টেলেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বর্তমানে সে সিলেট জালালাবাদ ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। কিভাবে ভাল ফলাফল করা যায় সে কথাই এখানে বর্ণনা করেছে। তোমরাও তোমাদের কথা পাঠাতে পার।
আমার বাড়ির কাছেই স্কুল। সকাল নয়টায় শুরু হয় ক্লাশ। বাড়ি ফিরি বিকেল চারটায়। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠি। হাতমুখ ধোয়ে পড়তে বসি। মা আমার সরকারি চাকরি করেন। তিনিও ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে যান। পড়ার টেবিলে আমাকে বসিয়ে মা চলে যান রান্নাঘরে। আমার পড়ার সময় যেন নষ্ট না হয় সেজন্যে মা আমাকে কোন কাজ করতে দেন না। তিনি বলেন ছাত্র বয়সে পড়ালেখাই তোমার প্রধান কাজ। বাড়ির পাশে স্কুল হওয়ায় সকালবেলাও আমি বাড়িতে পড়তে পারি। সকালবেলাই বাবার কাছে লোকজন আসতে শুরু করে। আমার পড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে তাই বাবা আমার জন্য নিরিবিলি একটা পড়ার ঘর বানিয়ে দিয়েছেন। পড়তে পড়তে হঠাত্ দেখি আমার সামনে খাবার। হাল্কা খাবার খেয়ে স্নান করতে যাই। স্কুলে সকলেই আমাকে খুব আদর করেন। সহপাঠীদের সঙ্গেও আমার ভালো সম্পর্ক। স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা পড়ালেখা বিষয়ে আলোচনা করি।
এতে আমাদের সকলেরই দক্ষতাবৃদ্ধি পায়। শ্রেণিকক্ষে স্যারের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনি। কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে প্রশ্ন করি। আমি যেমন পড়ি তেমনি লিখি। নিজে লিখে আবার সেটি আমি নিজেই বইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে নেই। এতে আমার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। স্যারদের পাঠদান মনোযোগ সহকারে রপ্ত করি। যে সমস্ত বিষয় কঠিন মনে হয় তা বার বার পড়ি এছাড়া অন্যান্য সহপাঠীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে বিষয়টি সহজ করে নেই। আমি খুব কম পড়ি, তবে যেটুকু পড়ি মনোযোগ দিয়েই পড়ি।
