রমজান মাসকে সামনে রেখে কমলগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি

আপডেট : ০৬ মে ২০১৯, ২২:১৫

ভোক্তা সাধারণের চরম দুর্ভোগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

রমজান মাসকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ, মাংস, ডিম, কাঁচামরিচ, লেবুসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভোক্তা সাধারণ। ভোক্তাদের অভিযোগে গতকাল সোমবার উপজেলার শমশেরনগর ও ভানুগাছ বাজারে খোঁজ নিয়ে এ চিত্র পাওয়া গেছে। তবে প্রশাসন নিয়মিত মনিটরিং করবে বলে দাবি করেছে। মাহে রমজান মাস থাকার কারণে একটি সিন্ডিকেট চক্র প্রতিবারের ন্যায় এবারও দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করেছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে ও ভোক্তাদের অভিযোগে জানা যায়, রমজান মাসকে উপলক্ষ করে বাজারে গরুর মাংস ৪৮০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, ফার্মের মুরগির কেজি ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, ফার্মের লাল মোরগ প্রতি পিস ৩৮০ টাকা থেকে ৪৩০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজি ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, লেবুর হালি ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া রসুন, দুধ, শসা, বেগুন, ধনিয়া পাতারও কিছুটা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাজারে কলার দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। অধিকাংশ কাঁচাবাজার ও মোদি দোকানে জিনিসপত্রের মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

ক্রেতা সাহেদা বেগম, মনির মিয়া, রাজ্জাক মিয়া বলেন, বাজারে তেলাপিয়া মাছের কেজি ১২০ টাকা দিয়ে সবসময় নিয়ে গেলেও এখন তেলাপিয়া মাছের কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সকল প্রকার মাছেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা আরো বলেন, রমজান মাস আসার কারণে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করে মুনাফা লুটে নিচ্ছে। ফলে আমাদের মতো নিম্নআয়ের লোকদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে।

কৃষক সংগ্রাম সমিতি মৌলভীবাজার জেলার নেতা রমজান আলী, সমাজকর্মী তোয়াবুর রহমান বলেন, রমজানে একটি চক্র জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করে মুনাফা নিয়ে থাকে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে তদারকি করে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, বাজারে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত, জেলা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট টিম ও ভোক্তা অধিকার প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছে।