গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চলছে চিকিত্সক সংকট। ফলে গ্রামের গরিব মানুষ এখানে কষ্ট করে এসেও প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সেবা পাচ্ছেন না। আর এ অবস্থা চলছে বছরের পর বছর। অথচ তৃণমূল মানুষের চিকিত্সা সেবার কথা ভেবে ৩১ শয্যার হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় ২০০৯ সালে। হাসপাতালটিতে গাইনি ও এনেসথেসিয়া চিকিত্সক নেই। এক্স-রে মেশিনটিও নষ্ট। ফলে বছরের পর বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন হয় না। গরিব শ্রেণির মানুষ প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে বেশি টাকায় চিকিত্সা নিতে বাধ্য হয়। পুরুষ-মহিলা ওয়ার্ডের অধিকাংশ ফ্যান বিকল। প্রচণ্ড গরমে রোগীদের কষ্ট সইতে হচ্ছে। হাসপাতালটি গুরুদাসপুরে হলেও ভৌগোলিক কারণে বড়াইগ্রাম, সিংড়া, তাড়াশ ও চাটমোহর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এখানে আসেন চিকিত্সা সেবা নিতে । হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিধি মোতাবেক ৫০ শয্যার হাসপাতালে একজন করে মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, এনেসথেসিয়া, শিশু রোগ, অর্থোপেডিক্স, কার্ডিওলজি, চক্ষু , নাক-কান-গলা ও ডেন্টাল সার্জনসহ ৯ জন কনসালটেন্ট ও ১৭টি সাধারণ পদে চিকিত্সক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে রয়েছে মাত্র আটজন। তিনজন অফিস সহকারির স্থলে একজন ও ছয়জন পিয়নের মধ্যে কর্মরত আছেন একজন। ১৫ জন নার্সের পদে রয়েছেন ছয়জন। ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক।
