দেশ ও জাতির স্বার্থে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আবশ্যক

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৩, ২১:২৮
নির্বাচন একটি প্রক্রিয়া মাত্র যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই করা হয় নির্দিষ্ট প্রতিনিধি আর বাছাইকৃত প্রতিনিধিদের একমাত্র কাজ হচ্ছে জনকল্যাণ নিশ্চিত করা। তবে এখানে যে কথাটি বলা দরকার তা হচ্ছে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া অর্থাত্ নির্বাচন হতে হবে শান্তিপূর্ণ কেননা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই উপহার দিতে পারে সত্ ও যোগ্য প্রতিনিধি। অন্যদিকে অসত্ ও অযোগ্য প্রতিনিধিরা সবসময় নিজেদের ভাগ্য বদলানোয় ব্যস্ত থাকে। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিকে রক্ষার জন্য আগামীতে দরকার প্রকৃত জনদরদী তথা সত্ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করা। সত্ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দরকার কিন্তু অনেকের মনেই সন্দেহ আগামীতে একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে তো? কেউ কেউ হয়তো ভাবতে পারেন একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে জন মনে এতো আতঙ্ক কেন? আমি এতটুকু বলতে পারি যে, আগামীতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এজন্য দায়ি সরকার ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল। কেননা আমরা লক্ষ্য করেছি, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই নিজেদের ইচ্ছা মতো কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আরো দেখেছি প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে সরকার ও বিরোধী দলসহ সংবিধান স্বীকৃত প্রায় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই একসুরে কথা বলেছিলেন এবং দেশবাসী একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু প্রাক্তন রাস্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের পরেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি টানা ৩৬ ঘন্টা হরতাল পালন করেছে। শুধুমাত্র তাই নয় সরকারিদলও কোন বিষয়ে বিরোধী দলের প্রতি নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে দেশ ও জাতি তার গতি পথ হারিয়ে ফেলবে। তাই বলতে বাধা নেই দেশ ও জাতির স্বার্থে আগামীতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দরকার এবং এজন্য সরকার ও বিরোধীদলের সহনশীল রাজনীতি আবশ্যক। সরকার ও বিরাধীদলের সহনশীল রাজনীতিই আগামীতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারে। তারেক রহমান [email protected]