ধ্বংসের পথে তারামণি চৌধুরানীর মঠ

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৫২
অবৈধ দখলদারদের থাবা আর সংস্কারের অভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে শেরী মহাশ্মশানে নয়আনী জমিদার তারামণি চৌধুরানীর মঠ। বাঁশের বেড়া দিয়ে ইতিমধ্যে মঠটি দখলের পাঁয়তারা চলছে। এ নারী জমিদার তার জমিদারীর কাজ পরিচালনার পাশাপাশি বহু জনহিতকর কাজ করেছেন। তিনি শেরপুর-জামালপুর সড়কের ১০ মাইল রাস্তার দু’পাশে পথিকদের ক্লান্তি নিবারণের জন্য অসংখ্য গাছ লাগিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি পান্থশালা নামে একটি অতিথিশালা নির্মাণ করেন। সেখানে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের লোক সেবা পেতো। এছাড়াও বাংলা ১২৮৮ সালে তিনি ভবতারা কালি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু অনেকের আপত্তি উপেক্ষা করে এ ঐতিহ্যবাহী শতাব্দী প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙ্গে বর্তমানে সেখানে নতুন মন্দির গড়ে তোলা হয়েছে। মাত্র ৮ বছর বয়সে এ পুণ্যবতী মহিলার সঙ্গে নয়আনীর জমিদার গোবিন্দ কুমার চৌধুরীর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৪ মাস পরেই তার স্বামী মারা যান। ১৪ বছর বয়সে তিনি জমিদারীর হাল নিজ হতে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে হরচন্দ্র চৌধুরীকে দত্তক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। তারামণি চৌধুরানী শেরপুরের টিপু শাহ্র (টিপু পাগল) মতবাদের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। টিপু শাহ্ ও তার অনুসারীরাও তাকে যথেষ্ট সম্মান করতেন।