মহাসড়ক দখল করে স্টিল মিলের মালামাল লোড-আনলোড

আপডেট : ০৭ মে ২০১৯, ০০:৩০

রূপগঞ্জ উপজেলার আড়িয়াবো এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একপাশ দখল করে প্রিমিয়ার স্টিল মিল কর্তৃপক্ষ লোহা জাতীয় মালামাল লোড-আনলোড করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মিল কর্তৃপক্ষ একাজ করায় পথচারী ও যানবাহনের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। সর্বোপরি মহাসড়কের একপাশ গভীরভাবে খনন করে মালামাল রাখা ও লোড-আনলোডের কারণে সড়কের ওই পাশে থাকা তিতাস গ্যাসের হাই-প্রেসারের পাইপ লাইন ফেটে যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

জানা গেছে, মহাসড়কের ওই অংশটুকু ভেকু দিয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট খনন করা হয়েছে। মালামালের স্তূপের নিচে রয়েছে তিতাস গ্যাসের হাইপ্রেসার পাইপ লাইন। অনেক সময় ভেকু দিয়েও মালামাল লোড-আনলোড করা হয়। ফলে ভেকুর আঁচর গ্যাসের পাইপ লাইনে লেগে যে কোনো সময় হাইপ্রেসার গ্যাস লাইনে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। বছর তিনেক আগে বেশ কয়েকটি সংবাদপত্রে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ওই সময় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন সরেজমিনে গিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওই পাশ দখল মুক্ত করে এবং মিল কর্তৃপক্ষ আর কোনো দিন সেখানে মালামাল লোড-আনলোড করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। ৪ মাস আগে রূপগঞ্জের তত্কালীন ইউএনও আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে মিল কর্তৃপক্ষকে লোড-আনলোড করতে নিষেধ করেন।

প্রিমিয়ার স্টিল মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন সড়কের এক পাশ দখলের বিষয়টি স্বীকার করলেও সেখানে মালামাল রাখায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, গ্যাস পাইপ লাইনের ব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস আবিবি সোনারগাঁও (জোবিঅ সোনারগাঁও) কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।