চাল ও গমের মজুদ ১০ লাখ টন

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:২৩
বর্তমানে দেশে চাল ও গমের মজুদ রয়েছে ১০ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন। দেশব্যাপী ১৭০টি নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়া রাজধানীর পোস্তগোলায় আধুনিক সরকারি ময়দা মিল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে মুহা. ইমাজউদ্দিন প্রামানিকের সভাপতিত্বে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অনুষ্ঠিত বৈঠকে একথা বলা হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদফতরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত করার ব্যাপারেও গতকাল সুপারিশ করেছে কমিটি। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাইলো ও খাদ্য গুদাম নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে জানানো হয়, দেশে এক লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১৭০টি নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ৮৪টি গুদামের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। চট্টগ্রামের হালিশহরে সিএসডিতে ৮৪ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার ৯১টি খাদ্য গুদাম নির্মাণসহ দেশে এক লাখ পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন গুদাম ও ঢাকার পোস্তাগোলায় আধুনিক সরকারি ময়দা মিল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। উত্তরাঞ্চলের ১৫টি জেলায় বিভিন্ন সুবিধাসহ এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১৪০টি খাদ্য গুদামের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মংলা বন্দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন কংক্রিট গ্রেইন সাইলো নির্মাণ কাজ চলছে। গতকাল বৈঠকে আটা ও ময়দার বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং খাদ্যশস্যের মজুদের বিষয়ও পর্যালোচনা করা হয়। এর আগে বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রলালয় ও খাদ্য অধিদফতরের বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ইতিমধ্যে সম্পন্ন বিভিন্ন পদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করেছে মন্ত্রণালয়। প্রার্থীদের মেধা যাচাইয়ে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষা এবং পদের উপযোগী বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাবলীলতার বিষয়ে সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া ও মৌখিক পরীক্ষার ন্যূনতম নম্বর বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। নিয়োগ সম্পর্কিত সার্বিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সকল পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করার ব্যাপারে সুপারিশ করা হয় । কমিটির সদস্য খাদ্য মন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, মো. আতিউর রহমান আতিক, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, মো. জাফর আলী এবং ইকবালুর রহিম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।