এবারের বাংলাদেশে গেমস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানাতে গিয়ে বিওএ’র একজন কর্মকর্তা অতীতের গেমসগুলোর উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘তখন খেলোয়াড়রা উল্লেখযোগ্য কিছু পায়নি। এবার আমরা প্রতি খেলোয়াড়কে একটা করে ট্র্যাকস্যুট দিচ্ছি।’ বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানেই ব্যয় হচ্ছে আট কোটি টাকা। অথচ যেসব ক্রীড়াবিদদের জন্য খেলা, তাদের জন্য সামান্য একটা ট্র্যাকস্যুট দেয়াটাকে বিওএ’র উপ-মহাসচিব ইমতিয়াজ খান বাবুল বিশাল উপহার হিসাবে দেখছেন। অথচ খেলোয়াড়দের জন্য ট্র্যাকস্যুট দেয়াটা একটা সাধারণ ব্যাপার। এটিকে খেলোয়াড়দের জন্য উপহার হিসাবে দেয়ার কথা বলে তিনি হাসির খোরাক জুগিয়েছেন আরেকটি মজার তথ্য দিয়ে। উদাহরণ তুলে এনে বিওএ’র উপ-মহাসচিব বলেন,‘আপনারা হয় তো জানেন লন্ডন অলিম্পিক গেমসের স্বর্ণ পদকটির বাংলাদেশের মুদ্রায় মূল্য হচ্ছে ৭০০ টাকা।’ বাস্তবে বিবিসির তথ্য মতে অলিম্পিক গেমসের স্বর্ণ পদকের মূল্য হচ্ছে ৪৫০ পাউন্ড, বাংলাদেশের মুদ্রায় যা কিনা প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। তাও তো স্বর্ণ পদকে বাস্তবে সোনার পরিমাণ থাকে ছয় গ্রামের মতো।
