পাকিস্তানের আদিবাসী এলাকাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) হামলার গোপন অনুমোদন দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ। বিতর্কিত ড্রোন হামলা নিয়ে দেশটির বর্তমান কিংবা সাবেক কোনো কর্মকর্তার এটিই প্রথম স্বীকারোক্তি।—খবর পিটিআইর।
মোশাররফ বলেন, বিতর্কিত ড্রোন অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো গোপন চুক্তি হয়নি। তার সময়ে প্রশাসন খুব সীমিত কয়েকটি ক্ষেত্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছিল; বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েকটি লক্ষ্যস্থলে ড্রোন হামলার অনুমোদন দেয়া হয়, যেখানে নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটার কোনো সুযোগ ছিল না। পারভেজ মোশাররফ সিএনএনকে বলেন, ড্রোন হামলার বিষয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। কেবল পাকিস্তানের বিশেষ অভিযানের টাস্ক ফোর্স এবং সামরিক বাহিনীর হাতে সময় না থাকলে সেক্ষেত্রে হামলা চালানো অবাধ করা হয়। তিনি বলেন, সময়ে সময়ে কাজে দেরি করা যায় না। চড়াই-উত্রাই সবসময় চলতেই থাকে....তখন পরিস্থিতি খুব অস্থির ছিল, দুর্ধর্ষ শত্রু... পাহাড়-পর্বত, দুর্গম সব এলাকায়। আগামী ১১ মে’র সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে চার বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসনের পর এখন দেশের মাটিতে অবস্থান করছেন পারভেজ মোশাররফ। তিনি বলেন, মার্কিন এই ড্রোন হামলায় আদিবাসী এক যুদ্ধবাজ নেতা (যার বিরুদ্ধে আদিবাসী এলাকায় আল-কায়েদা জঙ্গিদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগ ছিল) নেক মোহাম্মদ নিহত হন।
