বিয়ের পর হানিমুনে গিয়েছিল হূদয় ও সাথি। তবে সময় স্বল্পতার কারণে বেশি দিন ছুটিতে থাকা সম্ভব হয়নি। বিয়ের ক্লান্তি, অচেনা সঙ্গী, জার্নির ধকল, অফিসে জয়েন করার টেনশন—সব মিলিয়ে ট্যুরটা একেবারে মাঠে মারা গিয়েছিল। বছর খানেক কেটে যাওয়ার পর এবার তারা দুজনে ঠিক করেছে যে, একটা সত্যিকারের রোমান্টিক ট্যুরে যাওয়ার সময় এসে গেছে। তারা কেউই বেড়াতে গিয়ে ছুটোছুটির পক্ষপাতি নয়। একেই লাইফে এত স্ট্রেস, তার উপর বেড়াতে গিয়ে একটু রিলাক্স করতে না পারলে আর যাওয়া কেন? তা ছাড়াও তারা মনে মনে অনেক রোমান্টিক প্ল্যান করে রেখেছে। এই প্রথম জয়েন্ট ফ্যামিলির বাইরে একে অপরকে এত কাছে পাবে, তার জন্য একটু বিশেষ প্রস্তুতি তো চাই-ই। কিন্তু যতই সময় ঘনিয়ে আসছে, ততই সব কেমন যেন গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে। তারা এখন বুঝতে পারছে যে, নিজেদের রোমান্টিক করে তোলাটা কতটা কঠিন? সামনেই ছুটি, আপনিও কি প্ল্যান করছেন আপনার প্রিয় মানুষটির সঙ্গে কয়েকটা দিন নিভৃতে কাটাবার? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তা হলে তো আর কথাই নেই। সম্পর্কে একটা নতুন মাত্রা যোগ করতে ছুটির জুড়ি নেই। দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে ওঠা তো বটেই, দুজনের মধ্যে কেমিস্ট্রির ক্ষেত্রেও যোগসূত্র তৈরি করে ছুটি। নিজের সম্পর্কের সমীকরণ একবার ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য লেগে পড়ুন ছুটির প্রস্তুতিতে।
নতুন ভাবনা
আপনার স্বামী ভালোবাসে ট্রেকিং। অথচ ছুটিতে আয়েস করাই আপনার একমাত্র লক্ষ্য। এই ধরনের দ্বন্দ্ব রোমান্টিক হলিডেতে কাছেও ঘেঁষতে দেবেন না। বরং এমন অপশন বেছে নিন যাতে দুজনেই এনজয় করতে পারেন। দুজনের পছন্দের একটা ভারসাম্য থাকলে কারও মুড অফ হবে না।
প্রকৃতি এবং খাওয়াদাওয়া—এই দুটো উপকরণ রোমান্টিকতাকে উসকে দেয়। সে জন্য কোনো মতেই এই দুটো বিষয়কে উপেক্ষা করবেন না। পাহাড়া বা সমুদ্র যেখানেই যান, ভিড় থেকে সামান্য দূরে প্রকৃতির মধ্যে একটু সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। এ সময় হাত ধরে হাঁটা, অকারণে আলিঙ্গন করা সম্পর্কে উষ্ণতা বাড়াবে।
রোমান্টিক হলিডেতে নানা স্বাদের ফল এবং সবজি বেশি করে খাবেন। সেইসাথে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সমৃদ্ধ অ্যাসপারাগাস খেতে পারেন। এ ছাড়া কেক ও চকলেট খাবেন যতটুকু পারেন।
যা করবেন
বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যানিং করুন একসঙ্গে। এতে প্রথম থেকেই দুজনের মধ্যেই রোমান্টিক ভাবনা তৈরি হবে।
নিভৃত মুহূর্তের জন্য কিনুন সুন্দর রাতের পোশাক। সাথে ভালো পারফিউম রাখবেন।
মডেল তানভির ও হাসিন
