গার্লস গাইড হলো একটি আন্তর্জাতিক, অরাজনৈতিক, শিক্ষা ও সমাজ সেবামূলক যুবা আন্দোলন। স্বাস্থ্য ও চরিত্র গঠনে মানবিক গুণাবলি বিকাশে এবং একজন বালিকা বা কিশোরীকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই আন্দোলনের সৃষ্টি। এর মূলমন্ত্র হলো: সদা প্রস্তুত থাকা। যার অর্থ- একজন গাইড, তার মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে এমনভাবে উপযুক্ত ও উপযোগী থাকবে, যাতে করে সে যে কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে পারে।
২৫ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল তিনদিন যাবত্ বাংলাদেশ গার্লস গাইড কোম্পানি আয়োজনে ক্যাম্পিং ২০১৯ অনুষ্ঠিত হলো বটমলী হোমস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ক্যাম্পিং-এর ক্যাম্প কমান্ডার ছিলেন অতিরিক্ত আঞ্চলিক কমিশনার, রাজধানী অঞ্চল, হোসনে আরা বেগম (স্কুলের হেনা দিদি)। সহকারী ক্যাম্প কমান্ডার লাকী ফ্লোমেন্স কোড়াইয়া। গার্লস গাইডের সদস্যদের মাঝে ব্যাজ/ ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেটের দায়িত্বে ক্যাম্প কমান্ডার হোসনে আরা বেগম। অনুষ্ঠিত ক্যাম্প বুলেটিন প্রস্তুতকরণে ছিলেন চন্দনা দিদি, শুভ্রা দিদি, সাজেদা দিদি ও ক্যাম্প রেঞ্জাররা। নৈপুণ্য সূচকের দায়িত্বে হেনা দিদি, সাজেদা দিদি, চন্দনা দিদি, লাকী দিদি, শুভ্রা দিদি, সিনথিয়া দিদি ও শারমিন দিদি। ক্যাম্পের ফায়ার পরিচালনায় স্কুলের গার্লস গাইডের মেয়েরা, সহযোগিতা ও অনুষ্ঠান প্রস্তুতকরণে ছিলেন সুনীতি দিদি, লিজা দিদি। ২৫ এপ্রিল গার্লস গাইডের সদস্যরা রান্নার আয়োজন করে। ২৬ এপ্রিল ও ২৭ এপ্রিলের খাবারের দায়িত্বে ছিলেন লাকী দিদি ও শুভ্রা দিদি।
দীক্ষাদানের মাধ্যমে ক্যাম্প শুরু হয় ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল আটটায়। ক্যাম্প ফায়ার অনুষ্ঠিত হয় ২৭ এপ্রিল শনিবার বিকেল চারটায়। গার্লস গাইড কোম্পানির এই ক্যাম্পে তিনদিনই রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি গাইডের মেয়েদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তার মাঝে ছিল, অগ্নিনির্বাপক প্রশিক্ষণ, প্রাথমিক চিকিত্সার প্রাথমিক ধারণা, ফিট মূর্ছা যাওয়া ও জ্ঞান হারানো, রক্তক্ষরণ ও রক্তক্ষরণ বন্ধের প্রতিকার, ক্ষত ও ক্ষতের শুশ্রূষা, পোড়া ও পোড়ার শুশ্রূষা, বিষক্রিয়া/কামড়, হাড়ভাঙা ও অনড়করণ, রোগী পরিবহন, মাসিককালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
