নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে গত রবিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। ১ বৈশাখের এ দিনটি উদযাপিত হয়েছে সারাদেশে। ঠাকুরগাঁ জেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা পর্যায়ে বর্ষবরণের খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক সংবাদদাতাগণ।
ঠাকুরগাঁও
প্রতিবছরের মতো এবারও নিক্কন সংগীত বিদ্যালয় রবিবার সকাল ৬টায় জজকোর্ট বটমূল চত্বরে আয়োজন করে প্রভাতী অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিল্পীদের পাশাপাশি ঢাকা, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বের করে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বিকালে জেলা স্কুল বড়মাঠে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
বটিয়াঘাটা (খুলনা)
দিবসের কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পান্তা ভোজ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তি মনি চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান। বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ানম্যান নিতাই গাইন, ভগবতী গোলদার।
আলীকদম (বান্দরবান)
বর্ষবরণের র্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় স্মৃতিসৌধ বটমূল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে বর্ণিল সাজে ছাত্র-ছাত্রীরা ঢাক ঢোল বাজিয়ে নানা রঙের ফেস্টুন ও প্লেকার্ড বহন করে নববর্ষের বারতা জানান দেয়।
বোদা (পঞ্চগড়)
লাঠিখেলার মধ্যদিয়ে পঞ্চগড়ের বোদায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নববর্ষ উদযাপিত হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ বটমূল চত্বরে লাঠিখেলা,পান্তা ভোজন, সংগীতানুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ধামরাই (ঢাকা)
বিপুল উত্সাহ ও আনন্দ-উদ্দীপনার সাথে দিনব্যাপী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এ উত্সব পালন করা হয় ধামরাই হার্ডিঞ্জ হাই স্কুল মাঠে। সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘দোয়েল’, ‘অনির্বাণ’সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাম্য সাংস্কৃতিক দল এতে অংশ গ্রহণ করে। রবীন্দ্র, নজরুল, দেশাত্মবোধক, ভাটিয়ালী, গম্ভীরা, জারি, সারি, নৃত্য, লাঠিখেলাসহ নানাবিধ আনন্দদায়ক বিষয় ছিল উত্সবের অন্তর্ভুক্ত।
কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ)
বর্ষবরণ উপলক্ষে কাজীপুর উপজেলা প্রশাসন,বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ,সরকারি মনসুর আলী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচি পালন করে্। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, পান্তা ভাত খাওয়ার আয়োজন, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গঙ্গাচড়া (রংপুর)
প্রশাসনের পক্ষ থেকে র্যালি, পান্তা ভাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধামুর পূর্বপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় বাদ্যযন্ত্রসহ ঘোড়ার গাড়িতে সাজিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পান্তা ভাত ও র্যালিসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও বর্ষবরণ উত্সবে অংশগ্রহণ করে।
ডিমলা (নীলফামারী)
উপজেলা প্রশাসন র্যালি, উপজেলা মাঠে দিনব্যাপী ইলিশ পান্তা, হা-ডু-ডু খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন সরকার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ, ওসি আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে দীর্ঘ ২ কিলোমিটার ব্যাপী বর্ণাঢ্য র্যালিটি উপজেলা মাঠ থেকে বের করা হয়।
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভযাত্রা বের করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিহা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আহসানুল হক মাস্টার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার রায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা হামিদা লতিফ পান্না প্রমুখ।
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর)
উপজেলা প্রশাসন,স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট একাডেমিসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক সংগঠন দিনভর হরেক রকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বর্ষবরণে গ্রামীণ ঐতিহ্য প্রদর্শন করে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, পান্তা ইলিশ, বৈশাখী মেলা, ঘুড়ি প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্যবসায়ীরা আয়োজন করে শুভ হালখাতা মহরত অনুষ্ঠান।
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর)
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর সকাল ১০টায় উপস্থিত সকলে বাংলার ঐতিহ্য পান্তা ইলিশ, ছোট ছোট শিশু কিশোরদের বৈশাখী সাজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বেলা ২টায় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিল আফরোজা বেগম।
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এখানে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলা ১৪২০ নববর্ষ বরণ করা হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা ও ইউএনও সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে সকালে উপজেলা ক্যাম্পাস হতে ব্যানার ও নানা রকমের ফেস্টুনসহকারে শহরে র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে পান্তা ইলিশ পরিবেশন করা হয়।
নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা)
নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্সাহ-উদ্দীপনায় বর্ষবরণ উত্সব পালন করেছে। উপজেলা প্রশাসন পরিষদ আঙ্গিনায় গান, নাটক ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।
গফরগাঁও (ময়মনসিংহ)
বর্ষবরণ উপলক্ষে পান্তা ইলিশ, বৈশাখী মেলা, লাঠিখেলা, হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি উড়ানো উত্সব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বটতলার বৈশাখী মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। সালটিয়া বটমূল মাঠে বৈশাখী মেলা, লাঠিখেলা, ঘুড়ি উড়ানো উত্সব ও ওয়াপদা পুকুরে হাঁস ধরার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
বৈশাখ উদ্যাপন পর্ষদের আয়োজনে শহীদ স্মৃতি সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে, কুমড়াকান্দি টেনু ফকিরের আঙ্গিনা, দৌলতদিয়া রেলস্টেশন চত্বর, কাটাখালি, কুটি পাচুরিয়া, উজানচর, বালিয়াডাঙ্গা, দেবগ্রাম, ছোটভাকলাসহ উপজেলার বিভিন্নস্থানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলে। এছাড়া দৌলতদিয়ায় মাসব্যাপী এবং কুমড়াকান্দি টেনু ফকিরের আঙ্গিনায় সপ্তাহব্যাপী শুরু হয়েছে বৈশাখী মেলা।
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে প্রশাসন চত্বরে । পান্তা সরিষা ইলিশ, ডালের ভর্তাসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের আয়োজন ছিল এখানে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আকতার চৌধুরী এ খাবারের আয়োজন করেন। মির্জাপুর প্রেসক্লাবও দিনটি উপলক্ষে পান্তা ইলিশের আয়োজন করেছিল।
কাউখালী (পিরোজপুর)
বর্ষবরণ উপলক্ষে শহরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুজিব চত্বরে এসে শেষ হয়। সেখানে মোয়া, খই, সসা, বাতাসা দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের অপ্যায়ন করা হয়। শোভাযাত্রায় সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়।
দাউদকান্দি (কুমিল্লা)
বিপুল উত্সাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দাউদকান্দি, হোমনা, মেঘনা, চান্দিনা, তিতাস, দেবীদ্বার ও মুরাদনগর উপজেলায় বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, বৈশাখী গান, পান্তা-ইলিশ উত্সব, লোকজ মেলা, আলোচনা সভা, বিচিত্রানুষ্ঠান, হাডুডু ও কুস্তিখেলা।
মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি)
মহালছড়িতে সকাল ৯টায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীদের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু শাহেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিশাল এক বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রা বের হয়। “মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা,” শ্লোগানে শত শত উপজাতি নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচে গেয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
রায়পুরা (নরসিংদী)
আলোকিত রায়পুরা নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা তুলাতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্যবাহী এ খেলা উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার খেলা প্রিয় মানুষ।
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
রূপগঞ্জে দল মত নির্বিশেষে সকল বয়সের মানুষ এ উত্সবে মেতে উঠে। এ উপলক্ষে মুড়াপাড়া, হাটাব, মঙ্গলখালী, পাড়াগাঁও, গুতিয়াবো, পুটিনা, শিমুলিয়া, ভক্তবাড়ী, রূপগঞ্জ কাজী আঃ হামিদ বিদ্যালয় মাঠ, রূপসী, গোলাকান্দাইলসহ অর্ধশতাধিক স্পটে দিনব্যাপী মেলা বসে। উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিকদল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রাজাপুর (ঝালকাঠি)
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঝালকাঠির রাজাপুরে বাংলা নববর্ষকে বরণ করা হয়। এ উপলক্ষে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে রাজাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উত্সব অনুষ্ঠিত হয়।
সৈয়দপুর (নীলফামারী)
বাঙালির উত্সবকে বরণ করতে শোভাযাত্রা, গ্রামীণ মেলা, বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পান্থা ইলিশের আসর ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় সারাদিন। সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন ও শিল্প সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে সকালে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দুদিনব্যাপী বিশাল বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়।
বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর)
বোচাগঞ্জ উপজেলায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার প্রত্যয় নিয়ে ১লা বৈশাখ সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক মঞ্চস্থ ও পান্তা ইলিশে মুখরিত হয়ে উঠে।
ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর)
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভান্ডারিয়ায় বঙ্গাব্দ ১৪২০ কে বরণ করা হয়। রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে আনন্দ শোভা যাত্রা বের হয়। দুপুরে পোনা নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা, বিহারী স্কুল মাঠে দিনভর বৈশাখী মেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।
আমতলী (বরগুনা)
সকাল ৭টায় উপজেলা প্রশাসন, আমতলী পৌর সভা ও এনএসএস আয়োজনে আনন্দ র্যালী পান্তা ইলিশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আমতলীতে পহেলা বৈশাখ পালিত হয়।
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
নবীনগরে ব্যাপক উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে উদযাপন হলো ১লা বৈশা্খ ১৪২০। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্ব্বাবধানে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন তাদের নিজস্ব প¬্লাটফর্মে বর্ণিল সাজে আদালত বটমূল চত্বরে বৈশাখী গানের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উত্যাপিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিষ্টিমুখ ও পান্তা ভাতের আয়োজন।
বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)
রবিবার সকালে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় প্রশাসন আয়োজিত বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজ হতে এক বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়। র্যালীতে প্রধান অতিথি ছিলেন মত্স্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী আলহাজ আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এমপি।
কচুয়া (চাঁদপুর)
কচুয়ায় ব্যাপক উত্সাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এ উপলক্ষে সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালী কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। এ উপলক্ষে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্ম সূচির আয়োজন করা হয়।
