সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়ার নদীতে প্রায় ৮ শত গজ এলাকা জুড়ে আগ্রাসী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে বনবিভাগ, সাতক্ষীরা রেঞ্চের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসের স্থাপনাসমহ। হুমকির মুখে পড়েছে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, নীলডুমুর ৩৪ বিজিবি কার্যালয়, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বেড়ি-বাঁধসহ জনবসতি। সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও চুনার নদীর সংগমস্থলে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চ অফিস থেকে নীলডুমুর খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় ৮ শত গজ এলাকা জুড়ে প্রবল স্রোত ও নদী ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের বি এম ব্যারাকসহ ৩টি স্থাপন নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ওয়াপদার বাহিরে বর্তমান অফিস, রেষ্ট হাউজসহ আরও ৩টি স্থাপনা হুমকির মুখে। যে কোন সময়ে নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যেতে পারে এগুলো। স্টেশনের ডেপুটি রেঞ্জার হাসান কবীর জানান, ২ মাস পূর্বে বিএম ব্যারাকসহ বনবিভাগের তিনটি স্থাপনা নদী ভাঙ্গনে চলে গেছে। ভাঙ্গন আশঙ্কায় স্টাফরা রাতে ঘুমাতে পারে না। ৩ মাস পূর্ব থেকে ওয়াপদা কর্তৃপক্ষের ৩/৪ হাজার জিও বালির বস্তা এই স্টেশনের চরে পড়ে আছে, অথচ কেন যে ভাঙ্গনে দেয়া হচ্ছে না, সেটা জানি না। এ ব্যাপারে শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত এস ও নিখিল রঞ্জন জানান, ভাঙ্গন রোধে ওখানে ৫ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। টাস্কফোর্স কমিটির অনুমোদন না থাকায় ঠিকাদার কাজ করছে না। বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল জানান, ঠিকাদার টাকা আদায় করার জন্যে চাপ সৃষ্টি করে কাজ বন্ধ রেখেছে।
