মুষ্টির চালে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্মিত হচ্ছে সাঁকো

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৪৪
ঠাকুরগাঁও সেনুয়া ঘাটপাড়া এলাকার লোকজনের যাতায়াত সহজ করার জন্য এলাকাবাসী সেচ্ছা শ্রম দিয়ে রাস্তা তৈরির পর এবার মুষ্টির চাল তুলে সেনুয়া নদীর উপর সাঁকো নির্মাণের কাজ করছে। জানা গেছে, সেনুয়া ঘাটপাড়া এলাকা শহর থেকে ৪ কিঃমি দূরে। এতে করে শহরে এলাকাবাসীর আসতে অনেক সময় লাগে। এদিকে শ্মশান ঘাটের পেছন দিয়ে একটি রাস্তা রয়েছে যা দারজিলিং নামে পরিচিত। এ রাস্তা দিয়ে শহরের দূরত্ব ১-২ কিঃমিঃ। তাই এলাকাবাসী যাতায়াত করার জন্য স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এলাকাবাসী প্রতি বাড়িতে বাড়িতে মুষ্টির চাল তুলে সেনুয়া নদীর উপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। খায়রুল জানান, এ সাঁকো নির্মাণ করা হলে এলাকার যাতায়াত সহজ হবে। মানুষকে আর ৪ কিঃমিঃ ঘুরে আসতে হবে না। স্কুল ছাত্র সায়েম জানান, আমি শহরের রিভারভিউ স্কুলে পড়ি। স্কুলে ৪ কিঃমিঃ ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে। সাঁকো নির্মাণ করা হলে অনেক কম সময় লাগবে। এলাকাবাসী আবুল কাসেম বলেন, যাতায়াত সহজ করা জন্য এলাকার কিছু তরুণ বাড়ি বাড়ি মুষ্টির চাল তুলে সাঁকো নির্মাণের কাজ করছে। এটি একটি মহত্ উদ্যোগ। সালন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরী জানান, এলাকার কিছু তরুণ যুবক নিজ উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের কাজ করছে। সেনুয়া নদীর উপর একটি ব্রিজের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবরে আবেদন করা হবে। ঠাকুরগাঁও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক শাহানুর ইসলাম জানান, ওই এলাকার পক্ষের রাস্তা বা সাঁকো নির্মাণের কোন লিখিত আবেদন পাওয়া যায়নি। তবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে আবেদন করা হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে আবেদন করা হবে।