ফটিকছড়িবাসীর গলার ফাঁস

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৫১
ফটিকছড়ি পৌরসভা এলাকায় ধুরুং নদীর উপর নির্মিত অর্ধশতাব্দী পুরোনো বাঁধটি কালের বিবর্তনে পৌরবাসীসহ আশপাশের ৬/৭টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষের গলার ফাঁস হয়ে দাড়িয়েছে। বাঁধটির কারণে সৃষ্ট বন্যায় পৌর এলাকার রাস্তাঘাটসহ প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার স্থাপনা নষ্ট হচ্ছে। সেই সাথে পাশের ইউনিয়ন পাইন্দং, কাঞ্চননগর, সুন্দরপুর, দৌলতপুর,ধুরুং,রাঙ্গামাটিয়া,এমনকি পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা পযর্ন্ত সম্পদ ও ঘর-বাড়ি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুক্ষীণ হয়। অপরদিকে পাউবো, পৌরসভা এবং ্স্থানীয় ইউপি সমুহের বিভিন্ন ফান্ড থেকে নদীটির তীর সংরক্ষণে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয়। কিন্ত বন্যায় সেই সব কাজ পূনরায় নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। অথচ মাত্র ৭ কোটি টাকা খরচ করলেই এ সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে উত্তরণ সম্ভব বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারনা। সরেজমিন দেখা গেছে ফটিকছড়ি পৌরসভার প্রাণকেন্দ বিবিরহাট বাজারের পাশেই বাঁধটির অবস্থান। প্রায় ৪শ ফুট প্রশস্ত নদীটিকে শাসন করে ষাটের দশকের শুরুতে বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। তাছাড়া নদীর তলদেশ থেকে ১৫ফুট উঁচু করে স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধটিতে ছোট একটি মাত্র গেটওয়ে রাখা হয়েছে। শুকনা মৌশুমে বোরো চাষের জন্য বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল্। বর্তমানেও উক্ত নদী থেকে পাওয়ার পাম্পের সাহায্যে এবং মরা ধুরুং খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত করে উপজেলার ৭/৮টি ইউপির অন্তত দেড় দুহাজার একর জমিতে বোরো চাষ করা হয়। কিন্ত বর্ষায় বন্যার সময় ছোট এবং উঁচু বাঁধটির কারনে পানি প্রবাহিত হতে না পারায় নদীর দুপাড় ভেঙ্গে ৬/৭টি ইউনিয়নজুড়ে ভয়াবহ বন্যার সৃস্টি হয়। সেই সাথে এসব এলাকার ঘর বাড়ি,ফসলী জমি,গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদহানি হয় প্রতি বছর। অভিজ্ঞ মহলের মতে মান্ধাত্য আমলের পুরোনো বাঁধটি ভেঙ্গে একশ ফুট ভাটিতে একটি রাবারড্যাম নির্মান করলে এসমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।