টেকনাফে কর্মসংস্থান প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার হরিলুট

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৯
নবাগত ইউএনও শাহ মোজাহিদউদ্দিনের পরিচিতি সভায় বলা হয় কর্মসংস্থান, কাবিখা ও টিআর প্রকল্পে ১০ শতাংশ কাজও হচ্ছে না। হতদরিদ্রদের টাকা লুটপাট হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি হচ্ছে ব্যাপকহারে। শিক্ষায় পশ্চাত্পদ টেকনাফ উপজেলায় রোহিঙ্গা চোরাচালানীদের তত্পরতা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর সন্দেহমূলক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি মিলে টেকনাফ উপজেলার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল নয়। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে টেকনাফ উপজেলা। ইয়াবা ব্যবসা করে অল্পদিনেই কোটিপতি লাখপতি বনে গিয়েছে অনেকে। ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে আলীশান সুরম্য অট্টালিকা অত্যাধুনিক বহুতল ভবন নির্মিত হচ্ছে উপজেলার সর্বত্র। সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে। কিন্তু তালিকা করে এদের গ্রেফতার বা আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। ১৮ এপ্রিল টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. আবদুল মান্নানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত ইউএনও শাহ মোজাহিদউদ্দীন। নবাগত ইউএনওকে বরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, ভাইস চেয়ারম্যান এইচ.এম ইউনুছ বাঙ্গালী, মিজাবাহার ইউছুপ, টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সমপাদক ও পৌর কাউন্সিলর আলহাজ্ব নুরুল বশর। বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, টেকনাফ স্থলবন্দরের জি.এম মাকসুদ, হোয়াইক্যং মডেল ইউপি চেয়ারম্যন অধ্যক্ষ মাও. নুর আহমদ আনোয়ারী, টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) দিদারুল ফেরদৌস প্রমুখ।