রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের একাডেমিক ভবন আছে। আছে পরিচালক ও সিনিয়র উপ-পরিচালকসহ ১০ জন ক্রীড়াশিক্ষক। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অফিস, অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, এমনকি সুবিশাল স্টেডিয়াম থাকলেও নেই শুধু শিক্ষার্থী খেলোয়ার। শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগে মোট ১০ জন ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি আবাসিক হলের মধ্যে ১১টি হলে একজন করে ক্রীড়াশিক্ষক রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আন্তঃবিভাগ খেলাধুলার বাইরে সাধারণত এই শিক্ষকদের আর কোন কাজ থাকে না। ফলে তাদের কাজের আগ্রহ থাকলেও বছরের অধিকাংশ সময়ই অবসরে কাটে। শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের আগে ৫০ জন করে শিক্ষার্থী খেলোয়াড় কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হতো। সেই খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা হতো। কিন্তু ২০০৬ সালের পর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলোয়াড় কোটায় আর কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় না। ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয় খেলোয়াড় শূন্য হচ্ছে অন্যদিকে সুনামও হারাচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য ড. চৌধুরী সর্ওয়ার জাহান বলেন, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের অধীনে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়ে আমরা খুবই আন্তরিক। এ বিষয় যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
