ফরিদপুরে এলজিইডি’র জাইকা প্রকল্পের ৫ গ্রুপের কাজ ভাগাভাগি নিয়ে দুই ঠিকাদার শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকালে এলজিইডি অফিসের ভেতরেই। এ সময় অফিসের কয়েকটি কক্ষের জানালার কাঁচ ভাংচুর হয়।
সোমবার বিকেলে শহরতলীর বদরপুর এলাকায় এলজিইডির অফিসে দরপত্রের বাক্স খোলার পর ইব্রাহীম এন্টারপ্রাইজের একটি সিডিউল ও পে-অর্ডার ছিঁড়ে ফেলে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার। এ সময় অম্বিকাপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা ও আব্দুল করিম সরদার তাদের সিডিউল ও পে-অর্ডার ছিঁড়তে বাধা দিতে গেলে ওই বাহিনীর লোকজন তাদেরকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে। এসময় তারা অফিসের বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে ভাংচুর চালায় বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।
জানা গেছে, জাপান সরকারের অর্থায়নে ফরিদপুরে ৫টি গ্রুপে স্লুইস গেট নির্মাণ ও গেটের নিরাপত্তা কক্ষ নির্মাণ কাজের দরপত্র জমাদানের শেষ সময় ছিলো সোমবার। ৫ গ্রুপের মধ্যে ফরিদপুর সদর উপজেলার স্লুইস গেট নির্মাণের কোটি টাকার কাজের ২১টি দরপত্র বিক্রয় হয়। বরকত গ্রুপ এই কাজের সমঝোতার জন্য রবিবার রাতেই অধিকাংশ ঠিকাদারের কাছ থেকে সিডিউলগুলো নিয়ে তাদের কাছে জমা রাখে। এতে বাধসাধে কুদ্দুস ও রহিম। সমঝোতা ভঙ্গ করে কুদ্দুস ও রহিম তাদের দরপত্রটি সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের অফিসে রক্ষিত টেন্ডার বাক্সে জমা দেয়। বিকালে বাক্স খোলার পর তাদের দরপত্র দেখে ক্ষিপ্ত হয় বরকত গ্রুপ।
এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোনায়েম হোসেন জানান, সদর উপজেলা স্লুইস গেট নির্মাণ কাজে ২১ টি দরপত্রের বিপরীতে ২টি জমা পড়ে । তিনি বলেন বাক্স খোলার পরে ঠিকাদারদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।
