ঢাকা আইসিডিতে দুই কোটি টাকার সিগারেট ও ব্লেড আটক

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪০
ঢাকার অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপোতে (আইসিডি) মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানিকৃত বিপুল পরিমাণ সিগারেট ও ব্লেড আটক করা হয়েছে। আটককৃত পণ্যের মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্রাইট ইন্টারন্যাশনাল গত বছর অক্টোবর মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে এসব পণ্য আমদানি করে। আমদানির কাগজপত্র ওই বছর ২৫ অক্টোবর ঢাকাস্থ আইসিডির শুল্ক কমিশনারেটে জমা দেয়া হয়। এরপর কাস্টমস কমিশনার ওইদিনই আমদানিকৃত পণ্য শতভাগ কায়িক পরীক্ষার নির্দেশ দেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক পণ্য চালানটি খালাস করতে বিলম্ব করতে থাকে। গত ৮ জানুয়ারি আইসিডির একজন সহকারী কমিশনার পণ্য চালানটি ১৭ জানুয়ারির মধ্যে খালাস না নিলে নিলামে চড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা আমদানিকারককে জানিয়ে দেন। এরপর শুরু হয় নিলাম প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে আমদানিকারক একজন শিপিং এজেন্টের মাধ্যমে পণ্য চালানটি খালাস নেয়ার জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। এরপর শুল্ক কমিশনার পণ্য চালানটি কায়িক পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত শুল্ক কমিশনার হোসাইন আহমেদের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত পরিদফতরের প্রতিনিধিকেও রাখা হয়। এই কমিটি গত রবিবার উক্ত চালানটি কায়িক পরীক্ষা করে ঘোষণা বহির্ভূত বিদেশি ব্রান্ডের ২৫৭ কার্টন সিগারেট এবং ৩৯০ কার্টন সুপারম্যাক্স ব্লেড আটক করে। ঘোষণা বহির্ভূত এসব পণ্য আমদানি করে বিপুল অংকের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচ্ছিল। উল্লেখ্য, একই আমদানিকারক গত বছর ঘোষণা বহির্ভূতভাবে টিভি যন্ত্রাংশ আমদানি করে শুল্ক ফাঁকির আরো একটি চেষ্টা চালায়। কিন্তু গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শুল্ক কমিশনার নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে ঘোষণার অতিরিক্ত বিপুল পরিমাণ পণ্য আটক করে। ফলে প্রায় দেড় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।