এইচএসসি’র পরই মূলত শুরু হয়ে যায় ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা। আর আধুনিক এই সময়ে এসে অনেকেই ক্যারিয়ারের জন্য ঝুঁকে পড়ছে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ের দিকে। তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে পড়তে রয়েছে বিএসসি (অনার্স) ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি। প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসারের সাথে সাথে তথ্যপ্রযুক্তির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর লক্ষ্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি, যাদের কর্মক্ষেত্রে চাহিদাও অনেক বেশি। এনসিসি এডুকেশন, ইউকে এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচের অধীনে বিএসসি (অনার্স) ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিআইটি) প্রোগ্রামটি দীর্ঘদিন যাবত্ পরিচালনা করে আসছে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি।
বাংলাদেশের মতো দেশে শিক্ষাজীবন শেষে কর্মসংস্থানের চিন্তাটাই আগে চলে আসে। কিন্তু গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় পড়ালেখা শেষ করে সহসাই কাজের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হয় না। তবে যাদের বাস্তবমুখি কাজের সাথে সম্পর্ক রয়েছে, এমন বিষয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ হয়েছে, তারা সহজেই চাকরি বা কাজ খুঁজে পেতে পারে। এনসিসি ও ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি (অনার্স) ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি বা বিএসসি (অনার্স) ইন আইটি বিষয় দুইটিও এমন।
আমাদের দেশে অনেক শিক্ষার্থীরই স্বপ্ন থাকে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানির মতো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডিগ্রি অর্জন। তবে পড়ালেখার খরচ বেশি হওয়ায় অনেকের পক্ষেই সেটা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে দেশে বসেই বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে ডিআইআইটি’র এই প্রোগ্রামে। ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩ নম্বরে ফোন করে এই প্রোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
শিক্ষা পদ্ধতি :এ শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষাগু অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয় যুক্তরাজ্যে। এর যাবতীয় ক্লাশ অনুষ্ঠিত হয় ডিআইআইটিতে।
সার্টিফিকেট :এ শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিএসসি (অনার্স) ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
ক্রেডিট ট্রান্সফার :যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে ডিআইআইটি থেকে ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ক্রেডিট ট্রান্সফার করে যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।
মান নিয়ন্ত্রণ :আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, ভালো ফলাফল ও অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যুক্তরাজ্যের এনসিসি এডুকেশন কর্তৃক বেস্ট পার্টনার ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে ডিআইআইটি। পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য রয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচ ও এনসিসি এডুকেশন, ইউকে।
ভর্তির যোগ্যতা :যেকোনো গ্রুপে এইচএসসি/এ লেভেল অথবা সমমান পাশ। তাছাড়া ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার ডিপ্লোমাধারীরা দুই বছরে বিএসসি (অনার্স) ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে।
খরচ :৪.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, যা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়।
চাকরির সুবিধা :এখান থেকে উত্তীর্ণদের দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়ে যায়। ডিআইআইটি’র শিক্ষার্থীরা ড্যাফোডিল গ্রুপের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি, বেসরকারি ও ম্যাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছে। ডিআইআইটি’র প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের পরিচালিত সফটওয়্যার ফার্মে কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি শিক্ষাকালীন আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার সুযোগও রয়েছে।
ক্যাম্পাস সুবিধা :ডিআইআইটিতে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার বই সম্বলিত আধুনিক লাইব্রেরি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই ক্যাম্পাস জোন। এ ছাড়াও রয়েছে শতাধিক কম্পিউটার সম্বলিত আধুনিক ল্যাব।
স্কলারশিপ সুবিধা :মেধাবী ও অসচ্ছলদের জন্য রয়েছে ১০%-১০০% পর্যন্ত ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্কলারশিপের সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল শিক্ষকের সন্তান ও মেয়েদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপের সুবিধা।
ভর্তির সেশন :ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটিতে বছরে ৪টি সেশনে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) ধানমন্ডি, কলাবাগান, উত্তরা ও চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে এবং ২ টি শিফটে (সকাল ও সন্ধ্যা) ভর্তি নেওয়া হয়। চাকরিজীবীরা সান্ধ্যকালীন শিফটে অংশগ্রহণ করতে পারে।
যোগাযোগ :বাড়ী-০৭, রোড-১৪ (নতুন), ২৯ (পুরাতন), ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা।
