বঙ্গবন্ধু সেতুর এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইট অকেজো

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৯
রাত্রিকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর সংকেত বাতি না জ্বলায় হেলিকপ্টার চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে। সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলরত হেলিকপ্টারসহ অন্যান্য উড়ন্ত পরিবহন সংকেতের জন্য যে ৫০টি এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইট (এইউএল) লাগানো হয়েছে তা অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হেলিকপ্টার ও অন্যান্য উড়ন্ত পরিবহন। একটি সূত্রমতে, ২০০৯ সালের ৯ মার্চ যশোর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে বহনকারী হেলিকপ্টার যশোর থেকে ঘাটাইল যাওয়ার উদ্দেশ্যে কালিহাতী উপজেলার রৌহা নামক স্থানে পৌঁছলে ভারী বৈদ্যুতিক তারের স্পর্শে বিধ্বস্ত হলে জিওসিসহ এক পাইলট মারা যান। ওই দুর্ঘটনায় আরো দুইজন আহত হয়। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ৫০টি এয়ারক্রাফট ওয়ার্নিং লাইটের মধ্যে সবকটিই নষ্ট। এছাড়া সেতুর ওপর স্থাপিত চার-তৃতীয়াংশ সোডিয়াম লাইট নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাস ১৯ পদাতিক ডিভিশন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডে যে হেলিপ্যাড রয়েছে তা সেতু থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত। রাতে সেতুর ওপর কোন অপরিচিত পাইলট যদি হেলিকপ্টার নিয়ে সেনানিবাসে অবতরণ করে তাহলে মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের এক সৈনিক বলেন, কয়েক মাস আগে রাতে সেতুর ওপর দিয়ে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সেতুপূর্ব শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে অবতরণ করার সময় পাইলটকে ঘাবড়ে যেতে হয়েছিল। রাতে অবতরণের সময় সেতুর ওপর কোন সংকেত বাতি পাননি তিনি।