উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নসহ সর্বত্রই আম বাগানগুলোতে এনথ্রাকনোজ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আম চাষিরা হিমশিম খাচ্ছে।
জানা গেছে, বাড়ির বাহির আঙ্গিনায় কিংবা ভিতর আঙ্গিনায় বসতবাড়ির মালিকরা বিভিন্ন প্রজাতির রকমারি আমের চারা রোপণ করে ফলের চাহিদা পূরণের সচেষ্ট। অপরদিকে আম চাষিরা আম চাষে ব্যাপক লাভজনক হওয়ায় আবাদি জমির চারিদিকে এবং একক ভাবে আম, লিচুর বাগান করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। বিগত বছরগুলোতে আমের বাম্পার ফলন ও বাজার মূল্য ভাল থাকায় অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। এ বছরে উপজেলার ১৬ হেক্টর জমিতে ৬৩টি বাগানে আম চাষ করা হয়েছে। অক্লান্ত পরিশ্রম আর পরিচর্যায় আশানুরূপ মুকুল দেখা দিলেও অসময়ে বৃষ্টি আর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাষিরা। অনেক বাগানে কালবৈশাখীর ছোবলে লণ্ড-ভণ্ড হয়েছে। এ পর্যায়ে বাগান চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে অকালেই আমে এনথ্রাকনোজ রোগে আক্রান্ত হয়ে অপরিপক্ব আম হলুদ বর্ণ ধারণ করে পচে নষ্ট হচ্ছে। এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ আম চাষিরা আমের এনথ্রাকনোজ রোগ দমনে ডায়াথিন এম-৪৫, রিডোমিল গোল্ড, টিল্ট, স্কোর, ব্যাভিটিন, ফলিকুরসহ প্রয়োগ করেও রোগ দমন করতে পারছে না। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা সত্যেন কুমারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমের এনথ্রাকনোজ একটি ভয়াবহ রোগ। উল্লেখিত ওষুধগুলো প্রয়োগ করলে সাধারণত বন্ধ হওয়ার কথা।
