ব্রিটিশ রাজপরিবারে নতুন সূর্যের আবির্ভাব ঘটেছে। হ্যারি-মেগানের কোলে এসেছে নতুন সন্তান। রাজপরিবারের সপ্তম উত্তরাধিকারী। ঐতিহ্য ভেঙে জন্ম নেওয়া সন্তান একসময় মার্কিন প্রেসিডেন্টও হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে দ্বৈত নাগরিকত্বকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি না দিলেও নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।
নতুন সন্তানের নাম এখনো ঘোষণা করেনি রাজপরিবার। ব্রিটিশ রাজপরিবারে এই প্রথম কোনো সন্তান জন্ম নিলো যে দ্বৈত নাগরিকত্ব পেতে পারে। বাবা ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারির নাগরিকত্ব সূত্রে রাজপরিবারের নতুন সদস্য ব্রিটিশ নাগরিক। আবার নিজের জন্মসূত্রেও ব্রিটিশ নাগরিক। তবে তার মা ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল মার্কিন নাগরিক। প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বিয়ের পরও মেগান মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেননি। মার্কিন আইন অনুযায়ী সেটি করারও দরকার নেই। ফলে মেগানের সন্তান মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারবে। আর নাগরিকত্ব নিলে একদিন মার্কিন প্রেসিডেন্টও হতে পারবে। তবে মার্কিন আইন অনুযায়ী তাকে কিছু শর্ত মানতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে হলে কাউকে অন্তত ১৪ বছর সেখানে বসবাস করতে হবে। আর প্রেসিডেন্টের সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ৩৫ বছর। কোনো মার্কিনী যদি বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করেন এবং বিদেশে তার সন্তান জন্ম নেয় তাহলে আইনানুযায়ী অন্তত ৫ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বাস করতে হবে ওই সন্তানকে এবং এর মধ্যে ১৪ বছর বয়সের পরে দুই বছর বাস করতে হবে। আর নাগরিকত্ব পেতে জন্মের পর সংশ্লিষ্ট দেশের মার্কিন কনস্যুলেটকে জানাতে হবে। তবে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে একটা বাধা আসতে পারে। তাহলো মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে নিজের আয়ের সব উত্স জানাতে হবে। নতুন সন্তানকেও কর বিলের সম্মুখীন হতে হবে। মার্কিন নাগরিক হলেও ব্রিটিশ নাগরিকত্বে কোনো প্রভাব ফেলবে না। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে নতুন সদস্যকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মেগান ব্রিটেনে বাস করলেও আশা করা হচ্ছে তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব বজায় রাখতে তার কর সংক্রান্ত সব তথ্য হালনাগাদ করবেন। উল্লেখ্য, মেগানের সন্তান হওয়ার খবর মার্কিন মিডিয়ায় ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। রাজপরিবারের ঐতিহ্য ভেঙে আগে কোনো খবর প্রকাশ না করে সন্তান জন্ম দেন মেগান। -ডেইলি মেইল
