চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পদুয়ায় বিষাক্ত চোলাই মদ খেয়ে গত দু’বছরে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়াও জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সেবনকারীরা।
পদুয়ার চেমীপাড়া, ছিপছড়ি, পেকুয়া উপজাতীয় পল্লীতে ২০টি মদের কারখানায় তৈরি হচ্ছে দেশীয় মদ। স্থানীয়ভাবে পরিবেশন ছাড়াও এসব কারখানার উত্পাদিত মদ যাচ্ছে কালিন্দিরানী সড়ক হয়ে পটিয়া উপজেলা এলাকায়। এসব কারখানা থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২৪শ’ লিটার মদ পাচার হয়। এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নে গত দু’বছরে বিষাক্ত মদ খেয়ে প্রকাশ দে (৩৯), লিটন দে (২৮), ননী গোপাল (৪২), দুলাল দে (৫০), মো. আবুল কাসেম (৪৫), মমবা মারমা (৫০), ক্যাসি মারমা (৪৫), মো. মমতাজউদ্দিন (৪২), মং কালা মারমা (৪৩), উবাচিং মারমা (২৭)সহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চেমীপাড়া পাহাড়ি পল্ল¬ীর কার্বারী মংথোয়াই চিং মারমা বলেন, পাহাড়ি চোলাই মদের ব্যবহার ও পাচার বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় আইন-শৃংখলা চরম অবনতি ঘটেছে। মারামারি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সংঘর্ষ প্রায়ই সময় লেগে থাকে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুল জলিল বলেন, চেমীপাড়া, ছিপছড়ি, পেকুয়া পল্ল¬¬ীতে প্রকাশ্যে চোলাই মদ উত্পাদন ও পাচার হয়। মাদকের ভয়াবহতায় এলাকার সাধারণ মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছেন। পদুয়া রাজারহাট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. আয়াতউল্ল¬াহ বলেন, পূর্বে থেকে এখানে মদের আড়ত রয়েছে। তবে বর্তমানে অনেক কমে এসেছে। মদপাচার করলেও আমাদের কেউ খবর দেয় না, তাই অভিযান চালাতে পারি না।
