ভাণ্ডারিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূর মৃত্যুর ৪ মাস পর মঙ্গলবার ঘটনার সাথে জড়িত ইউপি সদস্য মতিউর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তেলিখালী ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের গৃহবধূ ফাতেমার শরীরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। আগুনে তার পিঠ, নিতম্ব, হাত-পা মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। মেম্বর মতিউর চিকিত্সার জন্য ফাতেমাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেন। ঘটনার ১২ দিন পর অগ্নিদগ্ধ ফাতেমার মা তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিত্সার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। ঢাকায় চিকিত্সারত অবস্থায় ৩১ জানুয়ারি ফাতেমার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মৃতের ভাই আব্দুর রহিম বাদী হয়ে চাচাতো ভাই, ফাতেমার কথিত স্বামী জাহাঙ্গীর ও ইউপি সদস্য মতিউরকে আসামি করে ভাণ্ডারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এদিকে, গৃহবধূ ফাতেমাকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনার সাথে জড়িত ইউপি সদস্য মতিউর রহমানের অপসারণ দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে এলাকার মানুষ। তারা আটক মতিউরের বিচার দাবি করেন।
