উপজেলার পিরোজপুর ইউপি চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও শ্যালকসহ চার হত্যাকাণ্ডের ৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে নিহত শামীমার ঘনিষ্ঠদের নামের তালিকা ও ঠিকানার সন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ। শামিমার বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কারা বেশি আসা-যাওয়া করতো তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুনিরা শামীমা ও তার ভাই রানার পূর্ব পরিচিত এ বিষয়টি নিশ্চিত হতে পেরেছে পুলিশ। রফিকুল ইসলামের কিছু আত্মীয়-স্বজনকেও পুলিশী নজরদারিতে রাখা হয়েছে। চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের দাবি হত্যাকাণ্ডের সময় বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকা ও ৮৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্তকারী পুলিশ ও নিহতের পরিবারের পরস্পর বিরোধী বক্তব্যে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোর মার্ডার মিশনে জড়িত খুনিরা এ পরিবারের পূর্ব পরিচিত, এ ব্যাপারে পুলিশ ও রফিকুল ইসলামের বক্তব্যে মিল পাওয়া গেছে। পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘাতকদের গ্রেফতার করতে পুলিশ রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত শনিবার উপজেলার ঝাউছরা গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বাড়িতে তার স্ত্রী শামীমা আক্তার সুমা, শ্যালক কুতুবউদ্দিন রানা ও দুই গৃহপরিচারিকা মনি ও রেখাকে একই ভবনের পৃথক চারটি কক্ষে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
