কাউখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাগদা-গলদা চিংড়ি রেণু পোনা নিধনের মহোত্সব চলছে। উপকূলীয় কাউখালী উপজেলার সন্ধ্যা ও কচা নদীর তীরবর্তী ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ১৫ কি. মি. নদীতে এ রেণু ধরলেও কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।
পোনা শিকারীরা এক ধরনের নেট জাল , মশারীর জাল দিয়ে এ রেণু পোনা ও ইলিশের ঝাটকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা শিকার করায় সন্ধ্যা নদী ও কচা নদী মাছশূন্য হয়ে পড়ছে। শিকারীরা ভারতীয় নেট দিয়ে টানা জাল, ভাসা জাল ও বাঁধা জালসহ বিভিন্ন জাল ব্যবহার করছে। শিকারীরা পোনা শিকার করতে গিয়ে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক প্রজাতির অসংখ্য মাছের রেণু পোনা এবং মাছের জলজ খাদ্যকণা নষ্ট করছে।
রেণু পোনা শিকারীদের সূত্রে জানা যায়, প্রতি ১০০ গলদা চিংড়ির রেণু পোনা ৪৫০ থেকে ৫০০টাকায় বিক্রি হয়। চিংড়ি পোনা কেনা-বেচার জন্য কাউখালীর সন্ধ্যা ও কচা নদীর উপকূলে গড়ে উঠছে প্রায় ১৫/২০টি অস্থায়ী আড়ত্। মহাজন ও আড়ত্দাররা বিনিয়োগ করছে বিপুল অংকের টাকা। ঐ আড়তে স্থানীয়ভাবে সিন্ডিকেট তৈরি করে পোনা শিকারীদের দাদনের নাম করে কম মূল্যে পোনা বিক্রি করতে বাধ্য করছে।
