প্রকৃতির বৈরিতায় পশ্চিমাঞ্চলে লিচুর ফলন কমার আশংকা

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৫৯
এবার পশ্চিমের ৪ জেলা ও পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় লিচুর বাম্পার ফলন আশা করছিল চাষিরা। কিন্তু প্রকৃতির বৈরিতায় ফলন কম হবে বলে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন। বৃষ্টির অভাবে গুটি ঝরে যাচ্ছে বলে চাষিরা জানায়। যদিও বৃষ্টি হওয়ার পর লিচুর গুটি ঝরা থেমে গেছে। পশ্চিমের জেলাগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে লিচু চাষ হচ্ছে মাগুরাতে। মাগুরা জেলাতে এক হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে লিচু বাগান গড়ে উঠেছে। প্রতিবছর বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। লিচুর বাজার ভাল পায় চাষিরা। জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ৫০ কোটি টাকা মূল্যের লিচু উত্পাদন হবে বলে ধারণা। এ অঞ্চলে লিচু চাষে দ্বিতীয় স্থানে আছে মেহেরপুর জেলা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাগানগুলো লিচুতে ভরে গেছে। এ জেলায় ৩শ’ হেক্টরে লিচু বাগান আছে। ১০ কোটি টাকার লিচু উত্পাদন হবে বলে আশা। ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও বাণিজ্যিকভাবে লিচু বাগান গড়ে উঠছে। যদিও এ দু’জেলাতেও খরার কারণে প্রচুর লিচু ঝরে পড়েছে। এ কারণে ফলন কম হবে। বর্তমানে দেশের প্রধান লিচু উত্পাদনকারী এলাকা হচ্ছে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা। এ উপজেলায় ২ হাজার ৩শ’ হেক্টরে লিচুবাগান আছে। ঈশ্বরদী উপজেলায় ৩শ’ কোটি টাকা মূল্যের লিচু উত্পাদন হবে বলে আশা।