বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ভাসমান দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ৫ লক্ষাধিক মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়, জলোচ্ছ্বাস,বন্যা,খরা ও ভূমিকম্পের সাথে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেঁচে আছে।
উপকূলীয় এলাকার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ৫ লক্ষ লোক রয়েছে জলোচ্ছ্বাস ও সুনামির সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে। প্রায় পৌনে দু’লক্ষাধিক জনঅধ্যুষিত বয়ারচর, নলেরচর ও নিঝুমদ্বীপে কোন বেড়িবাঁধ নেই। হাতিয়া দ্বীপের মূল ভূখন্ডের চর্তুদিকে বেড়িবাঁধ থাকলেও ৪/৫টি পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ছেঁড়া। এতে যে কোন মুহূর্তে জলোচ্ছ্বাস ও সুনামির আঘাতে লক্ষ লক্ষ লোকের প্রাণহানিসহ বিভিন্ন এলাকা লণ্ড ভণ্ড হয়ে যাবার আশংকা। বিশেষ করে সুনামির ভয়াবহতার কাছে ১৪ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন বেড়িবাঁধ কোন কাজে আসবে না। তাছাড়া জনসংখ্যার তুলনায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা অত্যন্ত অপ্রতুল থাকায় শতকরা ৯০ ভাগ লোক রয়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে।
একটি নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানা যায়, হাতিয়ার ৫ লক্ষ লোকের জন্য রয়েছে ১০৭টি আশ্রয় কেন্দ্র ও প্রশাসনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০টি দ্বিতল ত্রিতল ভবন। ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাসে এ দ্বীপে প্রায় ৫৫ হাজার লোক ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ১৫ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছেন।
